কিন্তু প্রলয় কাণ্ড উদ্ভোধনী দিনেই! খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা হল রুমটি বিকট শব্দে ভেঙে পড়লো অতিথিদের নিয়েই । নিচে পাথরের অজস্র নুড়ি। 52 অতিথি প্রাণ হারালেন।
পাবলিকের টাকায় বিনা অনুমতিতে আর সনদধারী কোনো আর্কিটেক্ট ছাড়াই হল রুমটি নির্মিত হয়।
হলের মালিক ও নির্মাতা জেসাস গিল ওয়াই গিল ঠাঁই পেলেন কারাগারে । জেনারেল ফ্রাঙ্কো মাফ করে দেয়ার আগে তিনি জেলের ঘানি টানলেন দু বছর তিন মাস। মুক্তি পেয়ে মনোযোগ দিলেন দেশের সেবায়। তবে সেই পুরনো পেশায় _ নির্মাণ শিল্পে।
কয়েক বছরেই ফুলে-ফেঁপে উঠলো জেসাসের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। হাতে পেলেন অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদের মালিকানা। কপালটা সত্যি খুলে গেলো এবার। ফুটবল ক্লাবের মালিক হবার সুবাদে শিগগির তিনি বনে গেলেন জনপ্রিয় টিভি ব্যক্তিত্বে।
জেসাস রাজনীতিতে নাম লেখালেন সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে। 1991 সালে তিনি মারবেলা নগরীর মেয়রও নির্বাচিত হলেন। স্পেনে এতো বেশি ভোটের ব্যবধানে কেউ জিতেনি। তার নির্বাচনী প্রচারণা ছিল আকর্ষণীয় : 'আমাকে জেতান। মারবেলার রাস্তাঘাটে চোর আর মাদকাসক্ত থাকবে না। আরবের শেখ আর বিদেশী পর্যটকরা নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ফূর্তির সুযোগ পাবেন'।
কিন্তু তার শক্তির উৎস সেই অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদই রয়ে গেলো। দলটি তখন বাজে পারফরমেন্স দেখাচ্ছে। তার ক্লাবে কোচদের আয়ু ছিল মাত্র কয়েক সপ্তাহ। দল হারার পর কোচকে রাখবেন নাকি রাখবেন না _ এই ইসু্যতে জেসাস পরামর্শ চাইতেন প্রিয় ঘোড়া 'ইমপ্রেসিও'র কাছে।
-'ইমপ্রেসিও, আমরা হেরে গেছি'
-'আমি জানি, গিল'
-'দোষটা কার?'
-'আমি জানি না, গিল'
-'হঁ্যা, তুমি জান ইমপ্রেসিও। কোচের দোষ'
-'তাহলে দেরি কেন? এখনই বরখাস্তকরো'।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




