অনেকদিন পর ব্লগে এসে কি নিয়ে লিখব ঠিক বুঝে উঠতে পারছিলাম না।শেষমেশ সিদ্ধান্ত নিলাম গান নিয়ে দু একটা কথা লিখি।গান শুনে না এমন মানুষ খুব কমই।তবে আমার লিখায় ব্যান্ডের গানকে নিয়ে কিছু লিখা লিখতে চাই।এশিয়ার মোস্ট প্রমিজিং ব্যান্ড মিউজিক এখন আমাদের।সবার সেরা বললেও মন্দ হবে না।শুরু থেকে আজ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে লিখার চেষ্টা করব।লিখাটা ধারাবাহিক ভাবে লিখব।যাত্রাটা শুরু হয়েছিল মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পরপর।ব্যান্ডটার নাম উচ্চারণ। পেছনের মানুষটার নাম আজম খান।পপগুরু।"রেললাইনের ঐ বস্তিতে জন্মেছিল একটি ছেলে,মা তার কাঁদে, ছেলেটি মরে গেছে". বাংলাদেশ গানটা শুনে নি এমন মানুষ কমই আছে।কিংবা আলাল ও দুলাল।এরপর যে মানুষটার নাম নিতে হয় তিনি হলেন জেমস।মাহফুজ আনাম জেমস।বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় ছেলেটা শুধু গানের জন্য।আজিজ বোর্ডিং এ কষ্টের দিন কাটিয়ে তারপরই যে তিনি আজকের জেমস।"দশমাস দশদিন ধরে গর্ভে ধারণ,কষ্টের তীব্রতায় করেছে আমায় লালন". মা। গানটা শুনলে ভেতরটা কেমন করে উঠে।পাগলা হাওয়া,লেইস ফিতা লেইস,সুলতানা বিবিয়ানা, মীরাবাঈ অসাধারণ সব কম্পোজিশন এর গান।নগর বাউল এই নামটা নতুন হয়তবা।ফিলিংস নাম নিয়ে ব্যান্ডটা গড়ে উঠেছিল।বাংলাদেশের অন্যরকম জন্রার এক ব্যান্ড।পাগল উপাধিও পেয়েছিলেন তখন।সময়ের চেয়ে এগিয়ে ছিলেন,বোকা মানুষগুলো তা বুঝেনি।আজ বুঝছে।এরপর আসি এল আর বি। সেই তুমি,সাবিত্রী রায়,এই গানগুলা আজ থেকে ১০০-২০০ বছর পরেও ঠিক একই রয়ে যাবে।বাচ্চুদাও লিজেন্ডারি গিটারিস্ট হিসেবে রয়ে যাবেন মানুষের মনে।মাকসুদ ও ঢাকা।ম্যাক হক নামে পরিচিত।আজকের এই বাংলার ব্যান্ড মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠার পিছনে অসাধারণ অবদান রেখেছেন এই মানুষটা।এরপর আসি সোলসের কথায়।মন শুধু মন ছুঁয়েছে, এমন আরো কত গান যে আমাদের মন ছুঁয়ে গেছে তার হিসেব দেয়া যাবেনা।এরপর বলব মাইলসের কথা।শাফিন ভাইয়ের গলা, বেইজ এএর কাজ,হামিন ভাইয়ের গলা, ইকবাল আসিফ জুয়েল ভাইয়ের গিটার এগুলা মিলিয়ে লিজেন্ডারি ব্যান্ডটা এখনও আগের জোসেই আছে।এই লিখার এই পর্বটা শেষ করব যে স্পেশাল ব্যান্ডটা দিয়ে সেটা হলো ওয়ারফেইজ।শেখ মনিরুজ্জামান টিপু এই ব্যান্ডটার দলনেতা।লিড গিটারে আছেন কমল ভাই,অনি ভাই,বেইজে রজার ভাই,ড্রামসে টিপু ভাই নিজেই।এই ব্যান্ডটা অদ্ভুত ধরনের।এর ভোকালগুলো চেইঞ্জ হয় খালি।আর ওয়ারফেইজ বারবার নতুন নতুন ভোকালদের এনে দেখিয়ে দিচ্ছে কেউ কারো কম না।প্রথমেই বাবনা ভাই।বাবনা করিম।উনার গান খুব কমই আছে।
এরপর সাঞ্জয় দা।ওয়ারফেইজের সেরা ভোকাল আমার মতে।ব্যান্ডটাকে অন্য লেভেলে নিয়ে গেছেন এই মানুষটা।এরপর বালামের কথা বলতে হয়।এরপর মিজান।সে ওয়ারফেইজকে লিজেন্ডারি পর্যায়ে নিয়ে গেল।আর হালের পলাশ।পলাশের উপর ওয়ারফেইজ ভক্তদের অনেক আশা। থাকবে নাই বা কেন।একের পর এক ভোকাল জাদু দিয়ে গেছে এই ব্যান্ড।স্পেসিফিক কোনো গানের কথা উল্লেখ করলাম না।এই ব্যান্ডের সব গানই সেরা।তাই শুনে দেখবেন আপনার।ওয়ারফেইজ দিয়ে লেইট নাইনটিজ পর্যন্ত ব্যান্ডের হালকা কিছু তথ্য আর নাম দিলাম।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



