
প্রচন্ড রোদ, বাতাসের প্রবাহ নেই বললেই চলে। কিন্তু কিছু করার নেই, প্রয়োজনের তাগিদে অদূর সাভার থেকে সুদূর ঢাকাতে যেতেই হবে বিজয়কে। রাস্তায় যানযট থাকলে ৩-৪ ঘণ্টা আর যানযট না থাকলে মিনিমাম ১ ঘণ্টা তো লাগবেই।
অলরেডি বাসে উঠে পড়েছে বিজয়, বাস চলছে দূরন্ত গতিতে, লোকাল বাস বলে কথা।কিছুক্ষণ পরেই বাসের কন্ট্যাকটর বলল, ভাই এই সিট টা ছাড়েন, এইটা মহিলা সিট। কিছুই বলার নেই, বোকার মত উঠে পড়তে হল বিজয়কে, আর সোজা পিছনে চলে গেল সে। পিছনে যেতেই একটা সিট খালি লক্ষ করল বিজয় এবং কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব না করে বসে পড়ল, যদিও পাশের সিটে এক মধ্য বয়সী তরুণী বসা ছিল। তরুণীটির কপালে বড় করে একটা লাল টিপ আর ঠোঁটে গাঢ় করে লাল রঙের লিপস্টিক দেখেই বিজয় আন্দাজ করল তিনি হয়ত থিয়েটার করেন। পরে আলাপ করে জানতে পারল তিনি একজন সাংবাদিক। তিনি বাসে বাসে ভ্রমন করে বিভিন্ন পেশার মানুষের ইন্টারভিও নিচ্ছেন “নারী-পুরুষ সম অধিকার” এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে। তাই তার সাথে বসার কারনে বিজয়কেও ছোটখাট একটা ইন্টারভিও দিতে হল।
সাংবাদিক: আপনি কি করেন ?
বিজয়: পড়ি
সাংবাদিক: কোথায় পড়েন?
বিজয়: জা:বি (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)
সাংবাদিক: কোন ডিপার্টপেন্ট ?
বিজয়: প্রাণরসায়ন
সাংবাদিক: আচ্ছা, আপনি প্রাণরসায়নের একজন ছাত্র হিসেবে “নারী-পুরুষ সম অধিকার” এই বিষয়কে কিভাবে দেখেন বা ব্যাখ্যা করতে চান।
বিজয়: X এবং Y
সাংবাদিক: মানে?
বিজয়: মানে হচ্ছে, নারীদের ২ টা এক্স (XX), আর পুরুষদের ১ টা X আর একট Y (XY). যত সমস্যা এখানেই,
আর প্রাণরসায়নের একজন ছাত্র হিসেবে এই বিষয়ে বলতে হলে আমি বলতে চাই: আমাদের নারীদেরকে তাদের ২ টা এক্স (XX) থেকে ১ টা X পরিহার করে অতি সত্তর তার পরিবর্তে ১ টা Y প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাহলে পুরুষও XY, নারীরাও XY এবং সমঅধিকার প্রতিষ্ঠিত।
কি, বোঝেন নাই ব্যাপারটা...........................................
বি:দ্র: @ Copyright restricted.
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৬ রাত ৯:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




