
কিন্তু ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে গণহারে পাখী মারা যাবার কোনও কারন থাকতে পারেনা!প্রথমত ওদের রাডার সিস্টেম ওদের কে উপদ্রত এলাকা চলে যেতে সিগন্যাল দিবে।দ্বিতীয়ত,গাছের ডাল পালা,পাতা ইত্যাদি ওদেরকে রক্ষা করবে।এই গনমৃত্যু অস্বাভাবিক!হতে পারে কীট নাশকের কারনে এই মৃত্যু।প্রচুর পরিমাণ সাড় ও কীটনাশক গাছ পালা,ফসলের খেতে এমন কি মাছ চাষেও আজাকাল ব্যাবহার করা হয়।অথবা হাই ভল্টেজ বিদ্যুৎ লাইনের ফল্ট বা মোবাইল ফোনের টাওয়ার থেকে সুক্ষ মাত্রায় তরঙ্গ প্রবাহের কারনে ওদের প্রাকৃতিক আত্মরক্ষামূলক শারীরিক ক্ষমতা/সিস্টেম ফেইল করেছে!

আমার ক্ষুদ্র জ্ঞান বলে, পশু-পাখী পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখে। বিশেষ করে লোকালয়ে পাখীরা ময়লা থেকে বিভিন্ন প্রকারের খাবার,পোকা মাকড় খেয়ে মানুষের অচিন্তিত উপকার করে।যে খাবার গুলোতে খারাপ ও ক্ষতিকারক বিভিন্ন ব্যক্টেরিয়া থাকে,কিন্তু সেই খারাপ ব্যক্টেরিয়া পাখীদের ক্ষতি কোরতে পারে না।আর একটা বিশাল উপকার যেটা করে,উদ্ভিদের প্রজনন বা বংশ বৃদ্ধি পাখীদের দ্বারা হয়।

অর্থাৎ পরিবেশের ইকো সিস্টেম অনেকটাই পাখীদের উপর নির্ভর করে।
এর পড়ে পাখীর গুরুত্ত বুঝতে আমার মনে হয়না আর বিশেষ কিছু বলার বা ভাবার আছে।পাখীর অস্থিত্তের সাথে লোকালয়ের অস্থিত্ত জড়িত।মানব সমাজের অস্থিত্ত জড়িত। তাই অনুরধ এই ব্যাপারটাকে হালকা ভাবে না নিয়ে যার যার অবস্থান থেকে সরবচ্চ চেষ্টা করা,যাতে সরকার অতিদ্রুত এটার কারন খুঁজে বেড় কোরতে এবং এই হৃদয়বিদারক ও বিধ্বংসী ঘটনা আর না ঘটে তার ব্যবস্থা নেয়।ওদের যদি এই ভাবে মৃত্যু হয় তবে নিশ্চিত সামনে মানুষের জন্য ভয়াবহ আবস্থা আসছে!
সবার সচেতনতা আশু কামনা করছি।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৫ রাত ৮:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




