
গত ২৭-২৮ তারিখ রামাদান মাস শেষ হল। রোজা মানে অনেকটা সারা দিন কিছু না খেয়ে থাকা। ক্ষুধা কি তা বুঝতে পারা। ১ মাস রোজা থাকার পর সারা পৃথিবীর মুসলিম রোজা শেষে, রোজা ভঙ্গের আনন্দ উদযাপন করলো। কিন্ত বাস্তবতা হল গড়ে মুসলিম দেশের ৩১.৮% মানুষকে পুরো বছরই রোজা থাকতে হয়। মানে না খেয়ে থাকতে হয়। তাদের ক্ষুধা শেষ হয় না। এবং গত ১২ বছরে এর পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। নিচে দেশ ভিওিক পরিসংখ্যান।
Comoros=65.3%, Sudan=37.9 %, Palestine=31.8%, Tajikistan=30.2%, Chad=29.4%, Yemen=28.8%, Iraq=26.2%, Burkina Faso=25%, Djibouti=20.5%, Senegal=21.6%, Pakistan=17.2%, Bangladesh=16.3% Gambia=16%, Guinea=15.2%, Niger=13.9%
রোজার মূল উদ্দেশ্য হল তাকওয়া অর্জন করা। সারা মাস রোজা থেকে মানুষ ক্ষুধার কষ্ট বুঝতে পারে। আল্লাহ এর রহমত বুঝতে পারে। আরও বেশি আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞ হয়। আল্লাহর রহমতের জন্য বেশি বেশি শুকরিয়া আদায় করে। কিন্ত বাস্তবতা হল এই রমজানে প্রতি দিন ১.৩ বিলিয়ন খাবার নষ্ট হয়েছে। অর্থাৎ পৃথিবীর ৩ ভাগ এর এক ভাগ নষ্ট হয়। যখন সুদান এর লায়লা বলে, আমরা যে দিন ২ বেলা খাবার এর ব্যবস্থা করতে পারি সেই দিনটাকে আনন্দের দিন ভাবি। ঠিক সেই সময় তাদের থেকে একটু দূরে মক্কায় এই রমজানে ১৬৬৭ টন খাবার নষ্ট হয়েছে প্রতি দিন। দুবাইতে ১৮৫০ টন। কুয়ালালামপুর এ ৩০০০ টন। জানি না আমাদের প্রিয় শহর ঢাকায় কত। তবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি মক্কার সাথে প্রতিযগিতা করতে পারবে।
এভাবেই রমজান আসে রমজান যায়। ক্ষুধার্থ মুখের সংখ্যা কমে না। বরং বাড়তেই থাকে। বাড়ে নষ্ট খাবারের পরিমাণ। সমাজে শান্তি আসে না। বোঝা যায় না রমজানের প্রভাব। । ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




