আমরা দেখতে পাই ১৫-২০ ঘন্টা অপেক্ষা করেও সোনার হরিণ পাওয়ার মত আনন্দ উপভোগ করতে যখন সেই টিকেটটি পাওয়া যায়। এ নিয়ে আমার এক বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি।
আমাদের ঈদ না হলেও আনন্দ যে আমাদেরও। কারন ধর্ম যার যার উৎসব সবার। আর তাই ঈদের ছুটিতে আমরাও ছুটে চলি প্রিয় গ্রামের বাড়ী।আমার এক বন্ধু তেমনি কষ্ট করে টিকেটের লাইনে দাড়িয়ে টিকেট কিনল। আমাদের গন্তব্য সিরাজগঞ্জ কিন্তু আমাদের জানানো হলো জয়দেবপুর পর্যন্ত টিকেট পাওয়া যাবে। ব্যাস, তাই কাটা হলো ৩ টি। এরপর সেই দিন আসলে আমরা সবাই উঠে পরি আগে ভাগেই। নয়তো আমাদের সিটেই বসতে পারবো না। কারন অনেক ভীর থাকবে যে।!
যে কথা সেই কাজ, আমরা যথারীতি আমাদের সিটে বসলাম।অনেক ধীর গতিতে চলতে থাকলো ট্রেন একে একে অনেকগুলো স্টেশন পার হলো এমনকি জয়দেবপুরও তবুও আমাদের সিটে কেও বসতে আসলো না। কারন এত্ত ভীর যে আসবে কেমনে! তারাতো সীটই খুজে পাবে না। এরপর আবার টিটির কোনো খবর নেই। মানুষই দাড়াতে পারছে না এর মধ্যে টিটি কিভাবে আসবে।
আমরা জয়দেবপুর পর্যন্ত টিকেট কেটে অবশেষে সিরাজগঞ্জে পৌছলাম।তাও আবার সীটে বসে !! আমরা টিকেট ফাকি দিতেচাইনি। টিটি আসলে টাকা দিয়ে দিতাম।এমন মানসিকতা নিয়ে ছিলাম
আর তাই এই অভিজ্ঞতার আলোকে বলবো , এত্ত কষ্ট করে টিকেট না কেটে ( কারন আপনার সিটে হয়তো পৌছতেই পারবে না!) উক্ত দিন ট্রেনে উঠে পরবেন। ভাগ্য ভালো্ থাকলে বিনা টেকেটেই ঈদে বাড়ী ফেরা হবে
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




