(কথা : চন্দ্রি ল, সুর : উপল , সুরজিত)
আমাদের ছাদে কে বসে বসে কাঁদে
দেখেছিলো ঘুঘু আহা পড়ে গেছে ফাঁদে
তাই মেঘ লাগে চাঁদে আর গলা নামে খাদে
আর কী কান্ড কী কান্ড মধুর প্রমাদে
তার হাতীশালে হাতী তার হ্যারিকেনে আলো
তার দুঃখটা পাতি তাই কবিতা বানালো
আহা রাংতায় মোড়া সেই কবিতাপ্রয়াসী
তার বাথরুমে হাসি পায় খেতে বসে কাশি
তার ভালোবাসাবাসি যেন ধানক্ষেতে চাষি যেন রাতশেষে ফাঁসি
আর যে উপমা বাসি তবু আলোপ্রত্যাশী
আমাদের মাঠে কে হামাগুড়ি কাটে
পোকাদের খোকা তার ঘিলু খুলে চাটে
কোনো দরদী বখাটে তাকে বেচে দেবে হাটে
আর চেপেচুপে ছেপে দেবে পুরনো মলাটে
তার রংচটা ঠোঁটে কিছু গালাগালি ফোটে
তার ব্রণভরা গালে কেন আবির মাখালে
তার নখে লাল ছিটে তার চোখে কালশিটে
তার ভিটেমাটি চাটি হবে আগামী মিনিটে
আহা তিনপেয়ে ঘোড়া সেই জোড়া-অভিলাষী
তার দিনে সেবাদাসী চাই রাতে ছোটোমাসী
তার ভালবাসাবাসি যেন রোববারে খাসি যেন দ্্বিতীয় পলাশী
আর ন্যালাখ্যাপা হাসি কিছু বিষাদবিলাসী ।
---------------
চন্দ্রবিন্দুর গানে উঠে আসে আমাদের ভাষাবোধ , আমাদের ক্ষয় ও বিচ্ছিনণতা , আমাদের সমসাময়িক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনা । চন্দ্রবিন্দু আমাদের কালপ্রক্ষেপ , আমাদের চিনতা ও সমাজবোধের কামান যার নিশানায় বিন্দুর মতো স্থির হয়ে থাকে আমাদেরই সযত্নলালিত মধ্যবিত্ত বাঙালী সংস্কৃতির মেধা ও মনন ।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০০৬ ভোর ৫:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




