somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সহায়তামূলক পোষ্ট; সামুতে স্ট্র্যাগলিং নতুন ব্লগারদের কমন পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর। নতুন ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

২১ শে আগস্ট, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সামু ব্লগের বিভিন্ন সমস্যার একটা বড় সমস্যা মনে করা হয়ে থাকে নতুন ব্লগারদের মধ্যে থেকে শক্তিশালী লেখক/লেখিকা বেড়িয়ে না আসা। একটা সময়ে সামু ব্লগই ছিল সব লেখক, পাঠকের সবেধন নীলমনি। অন্যকোন ব্লগ ছিলনা, লেখালেখির প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ফেইসবুকের মান্যতা ছিলনা। তারপরে সামু ব্লগের দেখাদেখি ব্যাংগের ছাতুর মতো ব্লগ গজাতে শুরু করল। ফেইসবুকে বিভিন্ন জনরার লেখার আলাদা পেইজ তৈরি হল। সবমিলিয়ে সামু ব্লগ একটা টাফ কম্পিটিশনে পরে গেল। এই কম্পিটিশনে টিকে থাকতে নতুন নতুন গুনী ব্লগারের প্রয়োজন। সামু পরিবারে যোগ দেওয়া নতুন ব্লগারদের সহায়তায় এই পোষ্টটি তাই লিখে ফেললাম।

যেভাবে হলো শুরু.....



অনেকদিন ধরে ব্লগ পড়তাম। হঠাৎ মনে হলো আমিও কি লিখতে পারি? আচ্ছা লিখতে না পারলেও কমেন্ট তো করতে পারব পছন্দের লেখকদের লেখায়! ঝোঁকের মাথায় খুলেই ফেললাম একটা ব্লগ একাউন্ট এই নিয়মগুলো অনুসরন করে। একটা আগমনী পোষ্ট দিলাম। কয়েকজন কমেন্ট করল। সে কি উত্তেজনা! এতদিন যারা প্রিয় লেখক ছিলেন তাদের লেখায় মুগ্ধতা প্রকাশ করতে পারছি কমেন্ট করে। বারবার মডারেশন স্ট্যাটাসে তাকাই আর ভাবি জেনারাল/সেইফ কবে হব? হঠাৎ একদিন হয়েও গেলাম এবং খুশিতে মন নেচে উঠল! এবারে তো ভালো কিছু লিখতে হয় কিন্তু....

প্রশ্ন: ১) কি লিখব? প্রত্যেক নতুন ব্লগারের বিড়ম্বনাময় সেই প্রশ্নটি! কি লেখা যায়? অনেক ব্লগার আছেন যারা ফেইসবুকে বা অন্য কোন মাধ্যমে ঝানু লেখক এবং তারা একটা জনরা ঠিক করেই ব্লগে আসেন। তারা ভালোমত জানেন কি লিখবেন। কিন্তু এমন বহু নতুন ব্লগার আছেন যারা ব্লগের মাধ্যমে লেখালেখি করতে চান। সেভাবে আগে লেখেন নি। তারা ব্লগে বিভিন্ন পোষ্ট দেখে বেড়ান এবং ভাবেন "ইশ! এভাবে যদি লিখতে পারতাম!"



উত্তর: সামু ব্লগের একটা অসাধারন ব্যাপার হচ্ছে ব্লগটি নীরবে বহু লেখক তৈরি করেছে এবং করে যাচ্ছে। একজন ফেমাস ব্লগারের একটা কমেন্টে পড়েছিলাম যে "সামুই আমাকে বানিয়েছে, আগে এক লাইন লিখতে পারতাম না, আর এখন সিরিজ লিখি!" সামু ব্লগ আনকোড়া নতুন লেখকের জন্যে পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত থাকে।

আজকাল মাঝেমাঝে সামু ব্লগের পাতাগুলো উল্টালে কবিতার ওয়েবসাইট মনে হয়। যেটা হওয়া উচিৎ নয় একেবারেই, বিশ্বের এক নাম্বার বাংলা ব্লগে বিভিন্ন ধরনের লেখার সমাবেশ ঘটবে পাতায় পাতায়। আসলে সবারই মনে কবি হবার সুপ্ত বাসনা থাকে। ব্লগে এসে মাথা চুলকে বেশিরভাগ ব্লগারই প্রথম কাজ একটা কবিতা লিখে ফেলেন। কিছু কবিতা উচ্চমানের হচ্ছে আর কিছু ব্যাস লেখার খাতিরে লেখা! ব্লগে লেখার সময় নিজের ভালো লাগছে কিনা লিখতে সেটা ভাবা জরুরি। কবিতা লিখতে ভালো না লাগলেও শুধু পোষ্ট করতে হবে সেই খাতিরে কোন লেখা দেবার মানেই হয়না।

মনে রাখুন ব্লগে যেকোন ধরনের লেখা দেওয়া যায়। অনেক নতুন ব্লগারকেই আফসোস করে ব্লগ ঘুরে বলতে দেখি, "আমিত লিখতে পারিনা!" আপনাদেরকে বলব ব্লগে শুধু কবিতা, গল্পই নয় রম্য, বিজ্ঞান, ছবি ব্লগ, রান্না, খেলাধূলা, ধর্ম, প্রযুক্তি, ভ্রমন, সমসাময়িক আরো কতকি নিয়ে পোষ্ট দেওয়া যায়! সবারই নিজস্ব কিছু হবি থাকে। আপনার হবি যদি ফটোগ্রাফি হয় তবে ভালো কিছু ছবি তুলে ব্লগে দিন। যদি বেড়াতে পছন্দ করেন ভ্রমন কাহিনী লিখে ফেলুন। যদি মুভি দেখতে পছন্দ করেন তবে মুভি রিভিউ লিখুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন আমার কি লিখতে ভালো লাগে? কোন টপিক নিয়ে লিখলে ঘন্টা কেটে যায় আর আমি বুঝতেও পারিনা? ব্লগে তো মানুষ মনের খোরাকের জন্যেই লেখে! যদি মনের আনন্দে না লেখেন তবে লাভ কি হবে? আপনি যেটা মনের আনন্দে পরিপূর্ণ জ্ঞান নিয়ে লিখবেন সেই লেখাটা তথ্যপূর্ন, সুখপাঠ্য হবেই হবে। কোন জনরা লিখছেন সেটা একদমই জরুরি নয়, বরং কতটা যত্ম ও আনন্দ নিয়ে লিখেছেন সেটা জরুরি। উদাহরন হিসেবে একটা ছবি ব্লগ মোবাইল থেকে কিছু ছবি আপলোড করে কোন টাইটেল, জায়গার বর্ণনা ছাড়া দেওয়া এক। আবার যত্ম করে ছবি তুলে টুকরো টুকরো অভিজ্ঞতা বর্ণনা করা আরেক ব্যাপার। যাই লিখুন এটা মাথায় রেখে লিখুন উচ্চমানের একটি ব্লগে লিখছেন। যত্ন নিয়ে পোষ্ট করলে অনেক বেশি অনুপ্রেরনা পাবেন। সামু ব্লগে সব ধরনের রুচির পাঠক রয়েছেন তাই জনরা নয় প্রেসেন্টেশন গুরুত্বপূর্ণ। এভাবে আপনার নিজের পছন্দের কোনকিছু লিখে নিজে বিনোদিত হবার সাথে সাথে ব্লগকেও আরো বৈচিত্র্যময় করতে পারবেন।

প্রশ্ন: ২) ব্লগে অনেক আশা নিয়ে এসেছিলাম কিন্তু হেল্প পাচ্ছি না কেন? হুম বেশ বেদনাময় একটা প্রশ্ন! প্রত্যেক নতুন ব্লগারই সামু ব্লগে অনেক এক্সপেকটেশন নিয়ে আসেন। এত বড় একটি ব্লগ কমিউনিটি, কত কিছু শিখতে, জানতে পারব! নতুন নতুন লিখছি, ব্লগের গুনী লেখকেরা ভুল ধরিয়ে উৎসাহ দেবেন। কিন্তু কেউ কেউ হতাশ হন কোন ধরনের কমেন্ট না পেয়ে। একা একা ঘুরে বেড়ান ব্লগের আনাচে কানাচে। ভাবেন কি আর হবে এখানে থেকে?

উত্তর: পৃথিবীর কোন জায়গাতেই নতুন গিয়েই কেউ পরিচিত হতে পারেনা। সামু ব্লগও ভিন্ন নয়। আমি কোনভাবেই বলছিনা সব দায়িত্ব নতুন ব্লগারদের। সিনিয়ার ব্লগারদেরকেও গাইড করতে হবে গঠনমূলক সমালোচনা এবং অনুপ্রেরনামূলক প্রশংসায়। কিন্তু প্রতিদিন এত নতুন সদস্য ব্লগ পরিবারে যোগ দিচ্ছেন যে সবাইকে সমানভাবে সহযোগিতা হয়ত সম্ভব হচ্ছে না। নতুন ব্লগারদের মাথায় রাখতে হবে যে ভীরের মধ্যে নিজের জায়গা ধৈর্য্য, আত্মবিশ্বাস নিয়েই তৈরি করতে হয়। যেকোন জায়গায় ততক্ষন পর্যন্ত মন বসে না যতক্ষন না কিছু আপন মানুষ হয়ে যায়। ব্লগেও ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন ভালো লেখায় বুদ্ধিদীপ্ত কমেন্টের মাধ্যমে পরিচিতি তৈরি করুন। অন্যদের ভালো লেখায় আপনার ভালো কমেন্টগুলো তাদের উৎসাহের সাথে সাথে আপনাকেও ব্লগে পরিচিত করে তুলবে। ব্লগ একটা পরিবার। আন্তরিকতা নিয়ে সবার সাথে মিশে যান, দেখবেন লগ আউট করতেই মন চাইছে না!

প্রশ্ন ৩) ব্লগ এবং ফেইসবুকের পার্থক্য কি?: এটা অনেক বড় একটা ইস্যু। নতুন অনেক ব্লগার ব্লগ এবং ফেইসবুকের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। ব্লগে অনেক এক লাইনের "আজ আমার মন খারাপ", "কেমন আছেন আপনারা?", "বৃষ্টি ভালো লাগে!" টাইপের পোষ্ট দেখি। এক দুই লাইনের সেই পোষ্টগুলো কেউ পড়েন তো নাই, অনেকে কমেন্টে বকাঝকাও করে যান। নতুন অনেক ব্লগার তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ঘাবড়ে ভাবেন খারাপ কথা তো কিছু লিখিনি!



উত্তর: ব্লগ ফেইসবুক নয়! ফেইসবুকে আপনি এক দুই লাইনের স্ট্যাটাস দিলে লাইকের পরে লাইক পরবে স্বাভাবিকভাবেই। আপনার আত্মীয়, বন্ধুরা যাই পোষ্ট করবেন লাইক দিতে হাজির হয়ে যাবে। কিন্তু ব্লগে বেশিরভাগ মানুষকেই আপনি ব্যক্তিগত জীবনে চেনেন না। এরা একদমই নিরপেক্ষভাবে আপনার পোষ্ট পড়ে কমেন্ট করবেন। ব্লগ একটা প্ল্যাটফর্ম নিজের পার্টিকিউলার কোন গুনকে বিভিন্ন অপরিচিত মানুষের সামনে তুলে ধরে সমালোচনা/অনুপ্রেরনা পাবার। নিজেকে উন্নত করার! এই সুযোগকে হেলায় হারাবেন না দয়া করে।

প্রশ্ন: ৪) সমালোচনা নিয়ে ব্লগে কেন থাকব? নতুন ব্লগার এবং পুরোন ব্লগারের সবচেয়ে পার্থক্যের জায়গা এটাই। ব্লগে থাকতে থাকতে আমাদের পুরোন ব্লগাদের চামড়া অনেক মোটা হয়ে যায়। কোন সমালোচনাই গায়ে লাাগেনা। কেউ যদি অশালীন ভাষা ব্যবহার না করে সমালোচনা করেন আমরা খুশি মনে নেই। কিন্তু নতুন ব্লগারদের মন বেশ নরম, ও আবেগী হয়। তাদের অনেকে "তেমন ভালো লাগেনি" টাইপের লাইট সমালোচনাতেও ভীষন বিমর্ষ হয়ে পরেন। পোষ্টটি হয়ত ডিলিট বা ড্রাফটই করে ফেলেন অনেকে আরো সমালোচনার ভয়ে! অথবা পরে কোন পোষ্ট লিখতে নিরুৎসাহিত বোধ করেন!



উত্তর: ব্লগে যখন একটা পোষ্ট দেবেন এটা মেনে নেবেন যে বিভিন্ন পেশা, বয়স, অবস্থান সর্বোপরি বৈচিত্র্যময় রুচি ও ভাবনার অধিকারী মানুষেরা পড়বেন। তাদের আলাদা আলাদা জাজমেন্ট থাকবে এবং তারা সেটা প্রকাশও করবেন। আপনাকে প্রশংসা এবং সমালোচনা সমান উৎসাহে মাথা পেতে নিতে হবে। বরং খুশি হতে হবে এটা ভেবে যে কেউ সময় নিয়ে আপনাকে ভালো কিছু উপদেশ দিয়েছেন। ব্লগ লেখার পয়েন্টই তো নিজের লেখনীকে উন্মুক্ত করে দেওয়া আলোচনা, সমালোচনার জন্যে। সেগুলো পসিটিভলি মাথায় নিয়ে আরো ভালো লিখে যেতে হবে।
তবে হ্যা কেউ যদি অশালীন ভাষা ব্যবহার করে গালাগালি করেন এবং সমালোচনা গঠনমূলক না হয় তবে সেটা নিয়েও মন খারাপ করার কিছু নেই। কিছু খারাপ পাবলিক সব জায়গাতেই থাকে। এরা বাস্তবজীবনের ঝাল ভার্চুয়ালী বিভিন্ন মানুষের ওপরে দেখায়। তাদেরকে সিম্পলি কমেন্ট ব্লক করে দিন। ব্লক করার নিয়মাবলী এই লিংকের "মন্তব্য মডারেশন, প্রোফাইল এডিট, অনুসারিত ব্লগার এবং পাসওয়ার্ড পরিবর্তন" টাইটেলেের নিচে দেখুন।

প্রশ্ন: ৫) আমার পোষ্ট হিট কেন হয়না? নতুন অনেক ব্লগারই একটা পোষ্ট লেখার পরে একটু পরে পরে চোখ রাখেন নিজের পোষ্টটির পরিসংখ্যানের দিকে। কতবার পড়া হল? মন্তব্য এলো কিনা? লাইক পেলাম কিনা? সে এক অন্য উত্তেজনা! পোষ্ট হিট করার পাগলামীতে অনেকেই কিছু খারাপ রাস্তা অবলম্বন করেন। যেমন খুব মুখরোচক টাইটেল দিয়ে ভেতরে তেমন কিছুই না লেখা। আবার অনেক নতুন ব্লগার বেশ ভালো লেখা লিখেও আলোচিত/নির্বাচিত পাতায় জায়গা করতে পারেন না। তারা নিরুৎসাহিত হয়ে ভাবেন ব্লগ লেখার যোগ্যতা আমার নেই বা আমার কদর ব্লগারেরা করতে পারছেন না। এসব ভেবে অনেকে ব্লগ ছেড়েও চলে যান!

উত্তর: দেখুন ব্লগে একটা লেখা লিখে উৎসাহ চাওয়া খারাপ কিছু না। কিন্তু হিট সিকিং মেন্টালিটি ত্যাগ না করে সুস্থ্য ব্লগিং আসলেই সম্ভব না। আমি এই প্রশ্ন এবং অভ্যাস থেকে নতুন ব্লগারদেরকে দূরে থাকতে বলব। এক্ষেত্রে আমার অনুরোধ হচ্ছে যে ভাববেনই না কতজন পড়ল? ব্যাস মনের আনন্দে একটার পরে একটা ভালো লেখা যত্ম নিয়ে লিখে যান। নতুন থাকাকালে অনেকসময় ভালো লেখাও মানুষের চোখ এড়িয়ে যায়। যারা অনেকদিন ধরে ব্লগ লিখছেন, যাদেরকে মানুষ একনামে চেনেন সবাই তাদের পোষ্ট হুমড়ি খেয়ে আগে পড়বেন সেটাই স্বাভাবিক। তারা সেই অবস্থান অনেকদিন লিখে তৈরি করেছেন। আপনাকেও ধৈর্য্য ধরে লিখে যেতে হবে কোন কিছুর আশা না করে। অন্যদের ভালো লেখা পড়তে হবে। এভাবে সময় যেতে যেতে একদিন আপনি ব্লগে পরিচিত মুখ হয়ে যাবেন। লেখনীর উন্নতি হয়ে আপনার পোষ্টগুলো অন এ রেগুলার বেসিস নির্বাচিত পাতায় আসবে। যেকোন জায়গায় সেটা ভার্চুয়ালের ব্লগ হোক বা রিয়ালের লাইফের অফিস লেগে না থাকলে নিজের জায়গা তৈরি করা যায় না। There is no such thing as quick success! তবে ততদিনে আপনি বুঝে যাবেন যে ব্লগিং এর আসল মজা নিজের মধ্যে অন্যদের দৃষ্টিকোনে নয়। এই ম্যাচিউরিটি আসতে সময় লাগে তবে ব্লগের সাথে লেগে থাকলে অনুধাবন করতে পারবেন হিট নয় ফানটাই আসল! ব্যাস লেগে থাকুন ব্লগের সাথে যদি নিজেকে এবং ব্লগকে উন্নত করতে চান।

সবশেষে সামু ব্লগের সকল নতুন ব্লগারদের একরাশ শুভেচ্ছা। আমাদের পরিবারে আপনাদেরকে আন্তরিক স্বাগতম। ভালো ভালো পোষ্ট দিয়ে ব্লগের মান বাড়াবেন। ব্লগে আপনাদের সময় খুব ভালো কাটবে সে আশায় শেষ করছি। কমেন্ট বক্সেও যেকোন প্রশ্ন করতে পারেন, সাধ্যমতো উত্তর দেবার চেষ্টা করব আমি এবং অন্য সিনিয়ার ব্লগারেরাও। ধন্যবাদ।



ছবি সূত্র: অন্তর্জাল!
তথ্য সূত্র: অভিজ্ঞতা!

পরের পর্ব: সহায়তামূলক পোষ্ট; সামুতে স্ট্র্যাগলিং নতুন ব্লগারদের কমন পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর । নতুন ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। (পর্ব ২)

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০১৮ রাত ১১:৫৮
১৫০টি মন্তব্য ১৫০টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কমলা রোদের মাল্টা-১

লিখেছেন রিম সাবরিনা জাহান সরকার, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ ভোর ৫:১৫



চারিদিক রুক্ষ। মরুভূমি মরুভূমি চেহারা। ক্যাকটাস গাছগুলো দেখিয়ে আদিবা বলেই ফেলল, ‘মনে হচ্ছে যেন সৌদি আরব চলে এসেছি’। শুনে খিক্ করে হেসে ফেললাম। টাইলসের দোকান, বিউটি পার্লার আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেপ্টেম্বর ১১ মেমোরিয়াল ও ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার-২

লিখেছেন রাবেয়া রাহীম, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৮:০০



২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় ধসে পড়ে নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ার খ্যাত বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রের গগনচুম্বী দুটি ভবন। এই ঘটনার জের ধরে দুনিয়া জুড়ে ঘটে যায় আরও অনেক অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ২১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৯



সুমন অনুরোধ করে বলল, সোনিয়া মা'র জন্য নাস্তা বানাও।
সোনিয়া তেজ দেখিয়ে বলল, আমি তোমার মার জন্য নাস্তা বানাতে পারবো না। আমার ঠেকা পরে নাই। তোমার মা-বাবা আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

চন্দ্রাবতী

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১:৪১


চন্দ্রাবতী অনেক তো হলো পেঁয়াজ পান্তা খাওয়া........
এবার তাহলে এসো জলে দেই ডুব ।
দুষ্টু স্রোতে আব্রু হারালো যৌবন।
চকমকি পাথর তোমার ভালোবাসা ।
রক্তমাখা ললাট তোমার বিমূর্ত চিত্র ,
আমায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুই নোবেল বিজয়ী নিজ দেশে রাজনৈতিক কুৎসার শিকার

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

সুয়েডীয় বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের ১৮৯৫ সালে করে যাওয়া একটি উইলের মর্মানুসারে নোবেল পুরস্কার প্রচলন করা হয়। সারা পৃথিবীর বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সফল এবং অনন্য সাধারণ গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

×