somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১৪) - বৈদেশী স্কুলে প্রথম সে দিন......(কুইজ সলভড)

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পূর্বের সারসংক্ষেপ: একটি বাংলাদেশী পরিবার কানাডায় গিয়ে জীবনটাকে একেবারে শূন্য থেকে শুরু করার সংগ্রামে নেমে পড়ল। মেয়েটি একদিন তার বাবা মায়ের সাথে গিয়ে ওখানকার স্কুলে ভর্তি হয়ে এলো। তাকে একটি নির্ধারিত দিন থেকে ক্লাস শুরু করতে বলা হয়। অন্যদিকে পরিবারের কর্তা ও কর্ত্রীও কিছু কোর্সে ভর্তি হয়ে পড়লেন চাকরির জন্যে। বাবা মায়ের অনুপস্থিতে মেয়েটি লুকিয়ে মনোরম পাহাড়ি এলাকাটি ঘুরতে যেয়ে বিপদে পড়তে পড়তে বাঁচল। এভাবে করে স্কুল শুরুর প্রথম দিনটি চলে এল। চূড়ান্ত কালচারের শকের ভীষন ঘটনাবহুল সে দিনটি নিয়েই ফিরে এলাম অনেকদিন পরে।

পূর্বের পর্বগুলোর লিংক:
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১) - প্রথমবার প্রবাসে প্রবেশের অনুভূতি!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (২) - জীবনের গল্প শুরু হলো এইতো!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৩) - সুখে থাকতে কিলায় ভূতে! (কুইজ বিজেতা ঘোষিত)!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৪) - বাংলাদেশ ভার্সেস কানাডার দোকানপাট, এবং বেচাকেনার কালচার! (কুইজ সলভড)!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৫) - কেমন ছিল কানাডিয়ান স্কুলে ভর্তি হবার প্রস্তুতি পর্ব?!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৬) - কানাডিয়ান স্কুলে ভর্তির ইন্টারভিউ অভিজ্ঞতা!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৭) - কানাডার স্কুল ভ্রমণ এবং দেশীয় মফস্বলের স্কুলের টুকরো স্মৃতি!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৮) - কানাডার প্রথম খারাপ অভিজ্ঞতা!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (৯) - আবারো দুটিতে একসাথে, প্রেমের পথে... :`> (কুইজ সলভড)
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১০) - লাভ বার্ডসের প্রথম কানাডিয়ান ক্লাসের অভিজ্ঞতা....
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১১) - মায়ের বিদেশী ক্লাসমেট্স, কালচার শক এবং বাবার জেলাসি!
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১২) - কানাডিয়ান গুন্ডার কবলে.......
তুষার দেশে এক বাংলাদেশী কিশোরীর দিনরাত্রি - পর্ব (১৩) - কানাডিয়ান গুন্ডার কবলে পথ ভুলে এডভেঞ্চারে.......

পূর্বের সিরিজের লিংক: কানাডার স্কুলে একদিন এবং কানাডার স্কুলে একেকটি দিন

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

নিঃশ্বাস কেমন যেন আটকে আসছে। পায়ে জোর পাচ্ছিনা। মনে হচ্ছে কত যুগ ধরে হেঁটে যাচ্ছি। আশেপাশের বাতাসের শো শো শব্দটাও মনে হয় লো ভলিউমে শুনছি!
আচ্ছা এতটা ভয় কি আমি জীবনে আর পেয়েছি? দেশে থাকতে সবচেয়ে ভয় আমি কখন পেতাম? হ্যাঁ, লম্বা মোটা বদমেজাজী অংক শিক্ষক যখন ক্লাস নিতে আসতেন তখন। কারণে অকারণে সবার ওপরেই বিরক্ত হতেন। কদিন আগে সেই আদিবাসীর পাল্লায় পড়েও জান যায় যায় অবস্থা ছিল। কিন্তু আজকের ভয়টা সবকিছুকে ছাড়িয়ে গিয়েছে। জীবনে প্রথমবার স্কুলে যাবার সময়ে বাচ্চারা কান্নাকাটি করে, ভয় পায়। আমি জীবনে আবারো যেন সেই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, শুধু একটু বড় হয়ে গিয়েছি বলে কাঁদতে পারছিনা, এই যা পার্থক্য। ছোটবেলা থেকেই আমার অভ্যাস হচ্ছে বাইরে গেলে চারিদিকের মানুষজন, রাস্তাঘাট কৌতুহল ও মনোযোগ দিয়ে দেখা। কিন্তু প্রথমদিন স্কুলে যাবার পথে আশেপাশের সুন্দর প্রকৃতি, ওয়েদার কিছুতেই মন বসছেনা। শুধু হাজারো চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। নিজের মনে এদিক সেদিকের কথা ভাবতে ভাবতে পৌঁছে গেলাম স্কুলে।

প্রথম ক্লাসটি মেইন ডোরের খুব কাছে ছিল, ইন্টারভিউয়ের দিনই কাউন্সিলর সেটি দেখিয়ে দিয়েছিলেন, তাই খুঁজে পেতে কোন অসুবিধা হলোনা। ক্লাসে গিয়ে আমি সামনের রাইট কর্নারে বসে পড়লাম। অবাক হয়ে চারিদিকে তাকাচ্ছি। রুমটি বেশ ছোটই ছিল, বাংলাদেশের মফস্বলে স্কুল করেছি সবসময়। সেখানে লম্বা লম্বা খোলামেলা ক্লাসরুম থাকত। একেকটি ক্লাসে তিনটা করে দরজা! চওড়া, লম্বা লম্বা বেঞ্চ থাকত। আর ক্লাসে শয়ের কাছাকাছি শিক্ষার্থী থাকত। কিচিরমিচির লেগেই থাকত এতগুলো মানুষের নানা আলাপ আলোচনায়। আর বাইরের খোলা লম্বা বারান্দা অথবা মাঠ দিয়ে পাখিরা এসেও কিচিরমিচির করত। ক্লাসের জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেই দেখা যেত সবুজ মাঠ, গাছ, পাখি!

এখানে প্রথম ক্লাসটিতে ছোট ছোট ডেস্ক এবং সামনে চেয়ার অথবা টুল আছে। ক্লাসের পেছন দিকে দুটো দরজা, হাট করে খোলা থাকেনা, ঢোকার পরে মানুষজন ভিরিয়ে দিচ্ছে। সামনে হোয়াইট বোর্ড। কেমন বন্দি, কর্পোরেট মনে হচ্ছে সবকিছু। রুমের ডান দিকে একটা কাঁচের পার্টিশন দেওয়া এরিয়া, তখন জানতাম না, পরে জেনেছি সেটা টিচারের অফিস। ক্লাসরুমের সাথে টিচারের অফিস এটাচড, তারা সারাদিন সেখানেই থাকেন। স্টুডেন্টরা এক ক্লাস থেকে অন্য ক্লাসে মুভ করে, টিচারেরা নিজের জায়গাতেই থাকে। বাংলাদেশের উল্টো সিস্টেম আরকি।
রুম দেখতে দেখতে ক্লাসরুম ভরে উঠতে লাগল মানুষে। সহপাঠীদের আগ্রহ ভরে দেখতে লাগলাম। খুব আশা করে আছি কোন এক বাংলাদেশীকে পেয়ে যাব। একেকবার দরজা খোলার শব্দ পেলেই পেছনে তাকাচ্ছি, নাহ, সবাই ভিনদেশী। চাইনিজ, জাপানিজ, কানাডিয়ান ইত্যাদি। এশিয়ান স্টুডেন্টগুলো বেশ ভদ্রস্থ! কিন্তু কানাডিয়ান একজনকেও স্টুডেন্ট মনে হচ্ছেনা। মেয়েগুলোর কালারড হেয়ার, হেভী মেকআপ, ড্রেস দেখে মনে হচ্ছে পার্টিতে এসেছে। আর ছেলেগুলোও ছেড়া জিন্স প্যান্ট, হাফ প্যান্ট ইত্যাদি পরেছে।

দেশে ইউনিফর্মের খুব স্ট্রিক্ট নিয়ম ছিল। হেড স্যার মেইন দরজার সামনে দাড়িয়ে থাকতেন অনেক সময়ে, যদি দেখতেন কেউ কেডস পড়েনি বা অন্যকোন ড্রেস কোড ব্রেক করেছে তবে ঢুকতে দিতেন না! দুল বা যেকোন জুয়েলারি পরা মানা ছিল। নতুন নতুন কান ফোটানো মেয়েরা কানে সুতা পরে অথবা ভীষন ছোট দেখা যায় না এমন দুল পরে আসত যেন কানের ফুটো বন্ধ না হয়ে যায়।

আর এখানে সবাই বেশ লম্বা দুল, হাতে নানা প্রকারের ব্যান্ড সহ কিসব যে পড়েছে! একটা মেয়েকে তো বেলি রিং এও দেখলাম! টপসটা এমনভাবে কাটা যেন বেলি রিং দেখা যায়! কালার করা নাকি ন্যাচারালি এখানকার মানুষের চুল লাল, নীল, ছাই রং এর হয় সেটা ভাবতে লাগলাম। ছোট ছোট গ্রুপে সবাই একে অপরের সাথে কথা বলছে, কেউ কেউ চুপচাপ ফোন টিপছে। আমার পাশের ছেলেটার হাতে বেশ বড়সর একটা ফোন দেখতে পেলাম। আমি সবার দিকে হা করে তাকিয়ে আছি এক প্রকার, কারো সাথে চোখাচুখি হলে সে আমার অথবা তার পাশের মানুষটির দিকে প্রশ্নবোধক ভাবে তাকাচ্ছে, বুঝতে চেষ্টা করছে আমি এভাবে তাকিয়ে আছি কেন? বিষয়টি দৃষ্টিকটু হয়ে যাচ্ছে বুঝতে পেরে আমি কোনদিকে না তাকিয়ে কৌতুহল সংবরন করে কোলের ওপরে চোখ রেখে দিলাম। আমার মাথা রীতিমত ঘুরছে, এদের সাথে মিশব কিভাবে? এদেরকে তো চিড়িয়াখানার প্রাণী মনে হচ্ছে! আচ্ছা সালোয়ার কামিজ পারা মেকআপ হীন আমাকে ওরাও কি ভিনদেশী প্রাণী মনে করছে?

ম্যাথের টিচার এলেন টাইমমতো। উফফ! কি ভীষন লম্বা! আর চোখ গুলো একেবারে নীল। আর কোন কারণ ছাড়াই পুরো চোখে মুখে হাসির ঝিলিক। পুরো বডি ল্যাংগুয়েজটা যেন বলছে, "আমি তোমাদের সবার বন্ধু!" সহপাঠীদের দেখে আমার যে ভীষন অস্বস্তি, ভয় তৈরি হয়েছিল ওনাকে দেখে পলকেই যেন তা শরীর থেকে মিলিয়ে গেল! হুমায়ুন স্যারের বইতে পড়েছিলাম এদেশে টিচার আসলে দাড়িয়ে সম্মান জানায় না দেশের মতো। দেখি আসলেই তাই, কেউ দাড়াচ্ছে না, তাই আমিও বসে রইলাম।

উনি খাতা নিয়ে বসে একেকজনের নাম ধরে ডাকতে শুরু করলেন। রোল নাম্বার সিস্টেম এখানে নেই। মাত্র ২০-৩০ টা স্টুডেন্ট। ওদের ৩০ টার বেশি স্টুডেন্ট এক ক্লাসে রাখার নিয়ম ছিলনা। টিচাররা নাম ধরে ডাকতেন, এবং কয়েক মাসের মধ্যে চেহারা চেনা হয়ে যাওয়ায় তাও করতে হত না।
আমাদের দেশে ক্লাসে সমাজের মতো হাইয়ার, মিডল, লোয়ার ক্লাস নির্ধারিত হয় রোল নাম্বারের ভিত্তিতে। আত্মীয় স্বজন কেমন আছ জিজ্ঞেস করার আগে জানতে চাইতেন রোল নাম্বার কত? সেটার ওপরে বাচ্চাটি কত মেধাবী ও ভালো সেটা বোঝার চেষ্টা করতেন! যাদের বাচ্চাদের রোল ১ থেকে ৫ এর মধ্যে থাকত তাদের মাটিতে পা পড়ত না, যাদের পেছনে থাকত তারা এসব আলোচনা এড়িয়ে যেতে চাইতেন। একটি নাম্বার! শুধু একটি নাম্বারের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ত সবকিছু!
আমার এবং আরো কিছু চায়নিজ জাপানিজের নামটি টিচার অনেক কষ্ট করে বেশ কবার হেল্প নিয়ে উচ্চারণ করলেন, আর সরি বললেন ভুলের জন্যে। বেশিরভাগ ভিনদেশীই এখানে এসে হয় নাম পরিবর্তন করে অথবা নিজের নাম শর্ট করে দেয় অন্যদের সুবিধার জন্যে। আমি তেমন কিছুই করলাম না।

এরপরে ক্লাস নেওয়া শুরু করলেন। যা বলছিলেন তার বেশিরভাগই বুঝতে পারছিলাম না। কানাডিয়ানরা খুব উচ্চস্বরে কথা বলেনা। আর একসেন্টও অপরিচিত। হয়ত কোন বাক্যের প্রথমটুকু বুঝতে পারছি এবং শেষটুকু পারছি, মাঝখানটা মাথার ওপর দিয়ে যাচ্ছে। কথায় আছে অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী! হয়ত যা বোঝাচ্ছিলেন তার উল্টোটাই বুঝছিলাম! এখন বুঝতে না পারলেও পরে মর্ম উদ্ধার করতে পারব সেটা ভেবে আমি ভীষন মনোযোগ দিয়ে শুনছি, যা বলছেন লিখছেন সবই খাতায় তুলে নিচ্ছি।। আর যা বোর্ডে লিখছেন সেগুলো নিয়ে কথা বললে বুঝতে পারছি কিছু কিছু।

টিচার নিজের অফিস থেকে বাক্স নিয়ে এলেন, তার মধ্যে ছিল অনেক গুলো কাঁচের টুকরো। আমি আগে থেকে জানতাম এখানে সবকিছু প্র্যাকটিকাল করায়। এখন যদি কাঁচের টুকরোগুলো দিয়ে কিছু তৈরী করতে বলে!! আমি পারব না বাবা। আমি তো ভয়ে ভয়ে ওয়েট করছি কি হয় দেখার জন্যে। সবার হাতে একটি করে টুকরো পাস করা হল। তারপরে সেটা বিভিন্ন এংগেলে রেখে সিমিট্রি, স্কেল ফ্যাক্টর বুঝানো হল। আমি কিছুই বুঝলাম না। যদিও ওখানকার অংক আমাদের দেশের চেয়ে অনেক সোজা, আমাদের এখানে যেটা গ্রেড ৭ এ শেখায় সেটা এখানে গ্রেড ১০ এ শেখায়। এটা অন্যান্য এশিয়ান দেশগুলোর ক্ষেত্রেও সত্যি। তাই টিচাররা এশিয়ানদের স্মার্ট কিড বলত। আমার না বোঝার কারণ ছিল ভাষার অদক্ষতা, এবং প্রথমদিনের নার্ভাসনেস। বুঝানোর পরে আয়নাগুলো ফেরত নিয়ে নিল। আমিতো খুশি যাক কিছু তৈরী করতে দেয়নি।

ক্লাস শেষে এসাইনমেন্ট দিলেন। বইয়ের কিছু অংক করে আনতে বললেন সবাইকে। আমি ভাবলাম সবকিছু আলাদা হলেও শেষের এই হোমওয়ার্ক দেবার অংশটুকু দেশের মতোই!

ভেতরে ভেতরে একটু সহজ হতে লাগলাম। প্রথম ক্লাস শেষ, পরের ক্লাসে যেতে হবে। ভাবলাম অন্য স্টুডেন্টদের ফলো করে পিছে পিছে চলে যাব, রুম খোঁজার ঝামেলা থাকবেনা। এই ভেবে চেনা মুখ গুলোর পিছু নিতে গিয়ে দেখি একেকজন একেক দিকে চলে গেল! আমি তো পুরোই লস্ট! এখন কি করি? রুম নাম্বার দেখে দেখে খোঁজার চেষ্টা করে যাচ্ছি। সেদিন কাউন্সিলর স্কুল ঘুরে দেখিয়েছিলেন, কিন্তু একবারে কি পরিচিত হয়ে যায় অপরিচিত জায়গা? স্কুলটিকে গোলকধাঁধার মতো মনে হচ্ছে। এদিক দিয়ে গলি, ওদিক দিয়ে গলি, সবগুলো একই রকম মনে হয়। একই জায়গায় ফিরে আসছি এদিক ওদিক দিয়ে হেঁটে। যেন কোন ভিডিও গেমসের মধ্যে আছি! হাত ঘড়িতে দেখি দু মিনিট বাকি ক্লাস শুরু হতে। বেশ অসহায় মনে হতে লাগল নিজেকে। সেই দম আটকে আসা ভয়টা আবারো পেয়ে বসল! কি যে করি এখন!

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

শেষ কথা: আমি অনেক ডিটেইলে লিখছি, কেননা লিখে রাখলে সকল স্মৃতি ধরা থাকবে এবং আপনাদের সাথে শেয়ার করাও হয়ে যাবে। তাই একেক পর্বে গল্প বেশি এগোবে না, কিন্তু আমি প্রতিটি মুহূর্তকে লেখার ফ্রেমে ধরে রাখব। একধরণের ডায়েরি ধরে নিতে পারেন।

পাঠকের জন্যে কুইজ: একই ক্লাসের ও সেকশনের স্টুডেন্টরা ক্লাস শেষ হবার পরে নানাদিকে ছড়িয়ে পড়ল কেন?

বেশিরভাগ পাঠক ট্রাই করার পরে এর সঠিক উত্তর ও বিজয়ীর নাম কোন একটি কমেন্টে দিয়ে দেওয়া হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:০৩
১৭টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের কাশ্মীর ভ্রমণ- ৫: অবশেষে শ্রীনগরে!

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৯ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:২৬

গাড়ীচালক মোহাম্মাদ শাফি শাহ সালাম জানিয়ে তড়িঘড়ি করে আমাদের লাগেজগুলো তার সুপরিসর জীপে তুলে নিল। আমরা গাড়ীতে ওঠার পর অনুমতি নিয়ে গাড়ী স্টার্ট দিল। প্রথমে অনেকক্ষণ চুপ করেই গাড়ী চালাচ্ছিল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

চারিদিকে বকধার্মিকদের আস্ফালন!!

লিখেছেন ঘূণে পোকা, ১৯ শে জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৭

জাতি হিসেবে দিনে দিনে আমাদের মধ্যে এক অদ্ভুত মানসিকতা গড়ে উঠছে।
আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে অন্যকে বিচার করার এক অসাধারন দক্ষতা অর্জন করতে শিখে গেছি। আমাদের এই জাজমেন্টাল মেন্টালিটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

একজন জনকের চোখে

লিখেছেন সেলিম আনোয়ার, ১৯ শে জুন, ২০১৯ দুপুর ১:১৬


আমি ছিলাম আল্লাহর কাছে প্রার্থনারত
হসপিটালের ফ্লোরে —পরিবারের সবাই
প্রতীক্ষার ডালি নিয়ে নতমস্তকে —আসিতেছে শিশু
ফুলের মতোন — ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শুভাগমন
কোন সে মহেন্দ্র ক্ষণে — পরম বিস্ময়ে সেই
... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহা প্রেম!

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৪০



ইনবক্সের প্রেমের আর কী বিশ্বাস বলো
এসব ধুচ্ছাই বলে উড়িয়ে দেই হরহামেশা
অথচ
সারাদিন ডেকে যাও প্রিয় প্রিয় বলে.....
একাকিত্বের পাল তুলে যে একলা নদীতে কাটো সাঁতার
সঙ্গী হতে ডাকো প্রাণখুলে।

এসব ছাইফাঁস আবেগী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগারদের কিছু ফেসবুক ছবি

লিখেছেন :):):)(:(:(:হাসু মামা, ১৯ শে জুন, ২০১৯ রাত ৮:৩৭


হাজী জুম্মুন আলি ব্যাপারী
:P

জাহিদ অনিক
এখানে কেউ খোঁজে না কাউকে কেউ যায়নি হারিয়ে।

গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাই।

শাহিন বিন রফিক
... ...বাকিটুকু পড়ুন

×