শুধুমাত্র একজন ধর্ষকের প্রকাশ্যে লিঙ্গ কেটে ফেলা হোক। সেটা লাইভ টেলিকাস্ট করে গোটা দেশের মানুষকে দেখানো হোক। এরপরের মুহুর্ত থেকে ধর্ষণ করা তো দূরের কথা,ইভ টীজিং করা তো দূরের কথা, উগ্র পোষাক পরা মেয়েদের 'সকালে নাস্তা করতে ভুলে গেছি' দৃষ্টিতে তাকানো দূরের কথা- স্বাভাবিকভাবে তাকাতেই ভয় পাবে! ধর্ষকদের জন্য এরচেয়ে ভালো বিচার আর হতে পারে না। আমি এই বিচার সমর্থন করি। এটাই জাস্টিস!
প্রতিদিন পত্র পত্রিকায় ধর্ষণের খবর ছাপা হয়- ধর্ষনের বিচার হইছে এমন খবর কি ছাপা হয়? আমি আজ পর্যন্ত পড়ি নি,আজ পর্যন্ত শুনি নি। যারা ধর্ষক তারাও জানে দেশে ধর্ষণের বিচার হয় না! তারা নির্দ্বিধায় ধর্ষণ করার সাহস পায়!
শুধুমাত্র একবার ধর্ষকদের প্রকাশ্যে লিঙ্গ কেটে ফেলা হোক। সবাইকে দেখানো হোক। তাহলেই এদেশের মেয়েরা শান্তিতে নিশ্চিন্তে নিরাপদে প্রকাশ্যে এখানে চলাফেরা করার স্বাধীনতা পেয়ে যাবে।
ক্যাণ্টনমেন্টে যে মেয়েটাকে ধর্ষণ করা হয়েছে সেই ধর্ষকদের বের করা সহজ। খুবই সহজ। একটা জিনিষ মোটামুটি পরিষ্কার -যারা ধর্ষণ করেছে তারা ক্যান্টনমেন্টের ভেতরেই থাকে। বাইরের মানূষের সাহস হবে না ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে গিয়ে ধর্ষণ করার। তারা ভালোমতোই জানে ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ধর্ষণ করা আর নিরাপত্তা বাহিনীর সামনে ধর্ষণ করা সমান কথা। ক্যান্টনমেন্টের ভেতরের যে মানুষদেরই ভালো জানার কথা কখন ধর্ষণ করলে সেটাতে ধরা পড়ার চান্স কম। এটাও খুজে বের করা হোক মেয়েটার প্রতিদিনের টিউশনীর রাস্তায় কোন ছেলে তাকে টীজ করতো নাকি,কোন ছেলেজনিত সমস্যায় মেয়েটা ছিলো কি না। কেউ না কেউ জানবেই। তার কাছের বন্ধু বান্ধব কিংবা পরিবার। আর তাছাড়াও ধর্ষকদের ট্রেস করার যতো প্রমাণ দরকার তারা সেটা রেখেই গিয়েছে মেয়েটার মৃত শরীরে!
তাদের খুজে বের করে মাত্র একটাবার 'জাস্টিস' করা হোক। তাদের লিঙ্গ কেটে ফেলা হোক। দেশে ধর্ষণ থেমে যাবে।
যারাই ধর্ষণ করেছে তারা কোন না কোন নারীর পেটের ভেতর থেকে বেরিয়ে এই পৃথিবীর মুখ দেখেছে। আবার বিচার না হলে কোন না কোন নারীর পেটের ভেতরে জন্ম নেবে তাদের সন্তান। বড়ো হয়ে সেও হতে পারে কোন নারী! সেটা হবে সবচেয়ে করুণ ব্যাপার- যখন কোন মেয়ে জানবে-তার বাবা ছিলো ধর্ষক!
বিচার হোক। নিষ্ঠুরতম বিচার হোক!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


