somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সানবীর খাঁন অরন্য রাইডার
আঁচলের ঘ্রাণে বিমোহিত হতে মনে প্রেম থাকা লাগে। চুলের গন্ধ নিতে দুহাত বাড়িয়ে দেয়া লাগে। হাহাকার থাকা লাগে। দুনিয়া ছারখার হওয়া লাগে। সবাই আত্মা স্পর্শ করতে পারে না।আমার সমস্ত হাহাকার ছারখারে তুমি মিশে আছো।

প্রেমপত্র-৫৮

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

একলাবতী,
তোমাকে কভূ আমাকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না,আমি মরে গেলেও তোমার চাইতে বেশি আর কাউকে ভালবাসব না।এই আমি তোমাকে পাবার জন্যে এক হাজারটা বছর অপেক্ষা করতে পারি।তবে আমার তোমাকে নিয়ে খুব চিন্তা হয়,কারন এই মায়াময়ী টাকে কেউ কষ্ট দেবে না তো।তোমার চোখের জল কখনো তোমার ঐ মায়া ভরা মুখের চাউনি স্পর্শ করবে না তো।যাতে এমনটি কখনো না হয় আমি আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনাই করি।কারন তুমি মন খারাপ করলে আমার রক্ত ঝড়ে।
যদি তুমি এক বিন্দু কষ্ট পাও সেই কষ্ট পাহাড় সমান হয়ে আমার হৃদয়ে স্পর্শ করে।তুমি একটু হাসি দিলে ঐ মায়াবী নয়নে একবার তাকালে আমর মনে হয় শতশত বার নিজের মধ্যে আমি আত্মহত্যা করি।
কখনও এই চির প্রতিক্ষারত এই আমাকে পিছে ফিরে দেখ,আমি পৃথিবীর সব কিছু ছেড়ে দিয়ে শুধু তোমাকেই কাছে টেনে নেব।এক হাতে লড়াই করব গোটা পৃথিবীর থাকবে,পৃথিবীর সব কষ্ট ইহ জাগতিক সংকট ভূলে যাব।আমি ভূলে যাব কি দুঃসহ এক প্রহর তোমার জন্যে আমি অপেক্ষা করেছি।শুধুই তোমারই তরে এই প্রার্থনা"শুধু একবার ভালবাসি বলো"।
আজ রাত্রে বালিশ ফেলে দাও, মাথা রাখো আমার বাহুতে,শোনো দূরে সমুদ্রের স্বর, আর ঝাউবনে স্বপ্নের মতো নিস্বন,ঘুমিয়ে পোড়ো না, কথা ব'লেও নষ্ট কোরো না এই রাত্রি-শুধু অনুভব করো অস্তিত্ব যখন আমি তোমার স্বপ্নে আসি।সালফারের গহন রাত্রিতে লিপ্ত হবো না অার দূর থেকে দেখে নেবো ঢেউ নদী কি বঙ্কিম? মিশে যাবো নুনের সাগরে!
দেখবো না, ও ভূগোল,ভয় এক রাত্রির সমগ্রতা নিয়ে তোমাকে গিলুক জরায়ে ধরো তুমি প্রবল বিশ্বাসে অামি তুমি গন্ধক-বিছানায় বুঁদ হয়ে রবো।
মেয়ে, জানো কি?
স্বপ্নে তোমার মুখের উপর আসা চুলগুলো আলতো করে সরানোর দৃশ্য দেখে সদাই বুকের ভেতরটা মোচড় দেয়।আর যখন ঐ মায়াবী জলপদ্ম নয়ন দেখি তখন ১০০ ওয়াট বাল্বের টাংস্টেন এর তৈরী রোধ যেভাবে কাঁপে,হৃদপিন্ডের লাব-ডাবও সেইভাবে কম্পন তুলেছিলো।
আমি তো টের পেয়েছি,বলো তোমার কি খবর!
তোমার
অবাক কবি
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:১০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মেধা নয়, রাজনৈতিক পরিচয়ই কি আমাদের রাষ্ট্রে যোগ্যতার মাপকাঠি?

লিখেছেন raselabe, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:২৯

বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক পরিচয় বা ভেরিফিকেশনের কারণে প্রার্থীদের বাদ পড়ার অভিযোগ আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। রাজনৈতিক দলগুলো ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে নিজেদের ছাত্রসংগঠনের কার্যক্রম চালু... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাবলিগে গিয়ে যা শিখলাম না

লিখেছেন মুনতাসির, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯

আমি যখন ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ি, তখন আমার কয়েকজন বন্ধু তাবলিগ করত। তাবলিগের প্রতি আমার কখনোই আগ্রহ ছিল না। তবে ওরা নিজেরা রান্না করত, আর আমি রান্না করতে পছন্দ করি। তাই একদিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবে নারীসহ দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ: প্রতিমন্ত্রী, নাকি পাপেট?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০


গত বুধবার সৌদি আরবের শরিয়া আদালত একজন নারীসহ দুই বাংলাদেশি অভিবাসী শ্রমিকের শিরশ্ছেদ কার্যকর করেছে। এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ যে বিবৃতিটি দিয়েছেন, সেটা পড়ে বোঝা গেল যে, পররাষ্ট্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×