নতুন বছরে দুই সহোদরা নাজাত ফাহমি ও ফাতেন এলমি মনে করেছিল, তাদের কষ্টের দিন শেষ হয়ে সাফল্যের দিন ফিরে আসছে।অথচ এদের মতো আরো অনেক শিশু-কিশোর এমনি আশায় বুক বেঁধে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাচ্ছিলো।কিন্তু পরাশক্তির দেশ আমেরিকা ইরাকের হাজার হাজার ফাহমি ও ফাতেনের সব আশা-আকাঙ্খাকে আবারও অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডবি্লউ বুশ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন,ইরাক থেকে 2006 সালের প্রথম দিকে ইঙ্গ-মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের।অথচ আমেরিকা এখনো ছোট ছোট ইউনিটে প্রায় প্রতিদিনই সৈন্য পাঠাচ্ছে।ইরাকের সামরিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, আগে যে পরিমাণ সৈন্য পাঠানো হতো এখন ছোট ইউনিটে সৈন্য পাঠানো হলেও এর পরিমাণ নেহায়েত কম নয়।তাতে শুধু শিশু-কিশোর নয় বরং সব বয়সের মানুষও তাদের জীবন নিয়ে নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে ।
ইরাকের নাজাফে উম্মে রাশিদার বাবা রেজা কোরেশি ও মা রাহেলা এলাহির সঙ্গে দিনকাল মোটামুটি কাটাচ্ছিল। কিন্তু গত 2004 সালের মার্চেবাবা লারমিনে (জায়গার নাম) কর্মেেত্র যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলে পথিমধ্যে মার্কিন সৈন্যদের আক্রমণে নিহত হন । মা রাহেলার কণ্যা রাশিদাকে নিয়ে শুরু হয় দুঃখের জীবন।উপায়ন্ত না দেখে শেষ পর্যন্ত মা কাজ নেন একটি বেকারিতে।মায়ের আশা ছিল মেয়ে বড় হয়ে তাদের সব আশা-আকাঙ্খা পূরণ করবে।কিন্তু তাদের সব আশা যে শেষ পর্যন্তনিরাশা এবং হতাশার জন্ম দেবে তা কে জানত! কয়েক বছর যাবৎ অধিকাংশ শিা প্রতিষ্ঠান,অফিস-আদালত,কলকারখানা প্রভৃতি বন্ধ থাকাতে অগণিত মানুষ নানা অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।(চলবে)
বিঃদ্রঃ -লেখাটি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছিল।লেখক মোঃ আব্দুস সালিম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




