গালাবারুদের বিভীষিকা,বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় আকাশ-বাতাস সবই ভারী হয়ে উঠেছে।ইউরেনিয়ামের তেজস্ক্রিয়ায় সার্বিক তির পরিম ান নির্ণয়করা যায়নি এতবছর পরও।কতযুগ এর খেসারত দিতে হবে তা বলতে পারছেননা কেউই।বিষাক্ত কালো ধোঁয়া শিশু-কিশোরদের নাক-মু খদিয়ে শরীরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করায় নানা জটিল রোগের প্রার্দুভাব বেড়েই চলেছে।কিন্তু চিকিৎসা ব্যবস্থা বলতে এখন আর কিছুই নেই বলা যায়। ইঙ্গ-মার্কিন সেনাদের আক্রমনে যেসব শিশু আহত হয়েছে তাদের ফেলে রাখা হয় হাসপাতালের বাইরে । সেনারা হাসপাতালগুলো পর্যন্ত গুঁড়িয়ে দিয়েছে গোলার আঘাতে।এদের বেশির ভাগই কোন রকম চিকিৎসা না পেয়ে পিতা-মাতা,আত্মীয়স্বজনের সামনে করুনভাবে মৃত্যুবরণ করছে।শ্বাসকষ্ট,হাঁপানি,খিচুনি ইত্যাদি রোগই বেশি।হিরোশিমা-নাগাসাকিতে যে পরিমান তিকর পারমানবিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল,ইরাক যুদ্ধে ভয়াবহ প্রতিক্রিয়ার ফল যেন এর চেয়েও আরো অনেক বেশি।আগামীতে মায়েরা বিকলাঙ্গ/প্রতিবন্ধী শিশু জন্ম দেবে এমন আশনকাও করছেন চিকিৎসক ও পরিবেশ বিজ্ঞানিরা।
এদিকে আনর্্তজাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো তেমনভাবে এগিয়ে আসছেনা যুদ্ধ বন্ধে। সে কারণেই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদীরা আরো বেপরোয়া হয়ে যাচ্ছে। সৈন্য প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি হলেও এমন কোন লল দেখা যাচ্ছে না।
আমেরিকা এখন নতুন করে ইরানের ওপরও শ্যেনদষ্টি দিতে শুরু করেছে।এভাবে চললে আর যে কত শিশু-কিশোর মারা যাবে এবং কত যে নাজাত ফাহমি ও ফাতেন এলমির জীবন অন্ধকার হয়ে যাবে যা এখন থেকেই ভাবতে হবে।(শেষ)
বিঃদ্রঃ -লেখাটি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছিল।লেখক মোঃ আব্দুস সালিম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




