তোমারি জন্য কেটেছে কত বিনিদ্র রজনী
কত দেখেছি রাতের পাখিদের গান।
জানালার পাশে ডালে দেখেছি হুতোম পেঁচাটি
তার সঙ্গীর সাথে কত আবেগ এর সাথে।
এভাবেই বুঝি বালিশে কান পেতে শুনি
সমূদ্রের আহ্ববান... বেলাভুমি জুড়ে ছড়ানো শামুক
ভাবি আমি আর...থাক্... লজ্জার আবরনে
আমি জড়িয়ে পরি শুকনো লতার মত।
তবু পিপাসার্ত পাখির মত খুজি পাহাড়ী বালকের গান
হয়তো সে রাখাল... তবুও তার বুকের উষ্ণতায়
কি যেনো আছে... আছে কেমন এক প্রাণ।
অদ্ভুত ভাবে অনেক ভাবনা আমার এইখানে
ঠিক বুকের এই মধ্যখানে অনেকটা ডান পাশে
অনেক না বলা আকুতি... রাতের বালু উড়িয়ে...
হয়তো রাখাল বালক ভেড়ার পাল নিয়ে...
পরিশ্রান্ত পায়ে ঘুমায়ে পরেছে কোনো পাহাড়ের ঢালে....
আমি ব্যাকুল হয়ে ভাবি যদি পরী হতেম...
তবে আলতো স্পর্শে তার কপোল ছুয়ে
মাখিয়ে দিতেম যত যাদূময়তা... আদর, আপন!!
তবু ভাবনারা ফের ফিরে এসে দাড়ায় জানালায়।
দূর তারাদের আকাশে চাদ মুচকি হাসে...
অর কোনো মায়া নেই সূর্যের তরে
তবু আমি দেখি স্বপ্ন, সাজায়ে বাসর...
রাখাল বালক কোনো একদিন আসবে আমার ঘরে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


