somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের স্তন্যপায়ী প্রাণীজগৎ

১৭ ই মার্চ, ২০১৬ ভোর ৪:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অস্ট্রেলিয়া একটি দেশ, একটি মহাদেশ। এই মহাদেশে আছে মানুষসহ একাধিক স্তন্যপায়ী প্রানী। আজকের পোস্টে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের স্তন্যপায়ী প্রানীদের কিছু তথ্য ও ছবি দেখাবো।


অস্ট্রেলিয়ায় অনেক বিচিত্র ধরণের স্থলচর স্তন্যপায়ী রয়েছে৷ ক্যাঙ্গারু তাদের মধ্যে অন্যতম৷ তবে ছবির এই প্রাণী ক্যাঙ্গারুর মতো হলেও ক্যাঙ্গারু নয়৷ এদের নাম ওয়ালাবি৷ এতদিন অনেক ওয়ালাবি ছিল অস্ট্রেলিয়ায়৷ সংখ্যাটা এখন কমছে৷ প্রসিডিংস অফ দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স-এর সমীক্ষা বলছে, অস্ট্রেলিয়ায় ইউরোপীয়দের আগমনের পর থেকে ওয়ালাবির চারটি প্রজাতি অন্তত একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে৷


ছোট ছোট এই ইঁদুরগুলোও আছে বিপদে৷ বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, রডেন্ট নামে পরিচিত এই প্রাণীগুলো যেমন লাফিয়ে লাফিয়ে চলে, সেভাবে লাফিয়ে লাফিয়ে, অর্থাৎ দ্রুতই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে তারা৷


অস্ট্রেলিয়া থেকে বিলুপ্ত প্রাণীদের তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন এই ইঁদুরগুলো৷ ২০০৬ সালের আগেও এরা ছিল৷ কিন্তু তারপর থেকে কমতে কমতে ২০১৪ সালে এসে অস্ট্রেলিয়া থেকে এরা একদম বিলুপ্ত!


অস্ট্রেলিয়ায় বাদুড়দের ভাগ্য কিছুটা ভালোই বলতে হবে৷ নইলে অন্য অনেক স্তন্যপায়ী যখন নীরব প্রস্থানের পথে, এরা তখন রাতের আকাশে দাপিয়ে উড়তে পারে? গত ২০ বছরে বাদুড়ের বিলোপই সবচেয়ে কম হারে হয়েছে৷ এর মাঝেও বড় কানওয়ালা এই লর্ড হাওই-সহ দু’ধরনের বাদুড় অবশ্য অস্ট্রেলিয়া থেকে উধাও হয়েছে৷


প্রসিডিংস অফ দ্য ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্স-এর সমীক্ষায় দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের স্থলচর স্তন্যপায়ী প্রাণীর শতকরা ২১ ভাগই এখন বিলুপ্তির আশঙ্কার মুখে৷ আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিলুপ্তি বেশি ঘটছে এমন সব এলাকায় যেখানে মানুষের ঘনবসতি নেই৷


অস্ট্রেলিয়া থেকে এরা বিলুপ্ত৷ তবে নিউ গিনিতে এখনো দেখা যায় এদের৷ সেখানেও বেশি দিন ওরা অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারবে কিনা এ নিয়ে অবশ্য সংশয় আছে৷


এগুলো ইউরোপীয় লাল শেয়াল৷ অস্ট্রেলিয়াতেও আনা হয়েছিল এদের৷ এমন কিছু মাংসাশী প্রাণীর কারণেও বিলুপ্ত হচ্ছে অনেক স্তন্যপায়ী৷


এই বুনো বিড়ালগুলো সত্যিই ভয়ংকর৷ বিজ্ঞানীরা বলছেন, এদের কারণেও অনেক প্রাণীই অস্ট্রেলিয়া থেকে হারিয়ে যাচ্ছে৷


বিজ্ঞানীরা বলছেন, অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে স্থলের চেয়ে জলের স্তন্যপায়ীরা তুলনামূলকভাবে নিরাপদ৷ সেখানে বিলুপ্তির হার অনেক কম৷ তবে বিজ্ঞানীরা স্বীকার করছেন, সাগরের গভীরে কাজ করা খুব কঠিন, সুতরাং সেখানকার হিসেবে ভুলের শঙ্কাও বেশি৷
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০১৬ ভোর ৪:৫০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×