somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইয়াংগুনের পথে পথে

১৭ ই মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১৯৬২ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার শাসন করে আসছিল সামরিক বাহিনী৷ মিয়ানমার সম্পর্কে বহিঃবিশ্ব খুব কমই জানতে পেরেছে। আজকের পোস্টে আমরা ঘুরবো ইয়াংগুনের পথে পথে। দেখা যাক রাস্তার পাশে দর্শনীয় স্থান কি কি পড়ে।

শোয়েডেগন প্যাগোডা


কয়েক শতাব্দী ধরেই মিয়ানমারের মানুষের ধর্মীয় আচার পালনের কেন্দ্রবিন্দু এই প্যাগোডা৷ দেশটির অন্যতম আকর্ষণীয় স্থাপনাও এটি৷ সোনার পাত দিয়ে মোড়ানো এই বৌদ্ধ মন্দিরটির উচ্চতা ৯৯ মিটার৷

সাবেক সচিবালয়


একসময় ব্রিটিশ বার্মার প্রশাসনিক ভবন ছিল এটি৷ ১৮৮৯ থেকে ১৯০৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে লাল ইটের এই ভবনটি তৈরি হয়৷ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মিয়ানমারের অনেক ইতিহাস৷ ১৯৪৭ সালে এই ভবনেই অং সান সু চি-র বাবা মিয়ানমারের স্বাধীনতার নায়ক জেনারেল অং সানকে হত্যা করা হয়৷

বর্তমান অবস্থা


এই হচ্ছে সাবেক সচিবালয়ের বর্তমান অবস্থা৷ অনেক বছর পরিত্যক্ত থাকার পর ২০১২ সালে ভবনটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়৷ ৪০ হাজার বর্গমিটার জুড়ে থাকা ঐতিহাসিক এই ভবনে যাদুঘর, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে৷

তেইনগি মার্কেট


ইয়াঙ্গুন গেলে এই বাজারে যেতেই হবে৷ ঊনিশ শতকে এই বাজারের নাম ছিল ‘সুরাতি বড় বাজার’৷

সোফায়ের বিল্ডিং


দেখছেন ইয়াঙ্গুনের এক সময়কার অন্যতম অভিজাত ভবন৷ বাগদাদ থেকে ইয়াঙ্গনে যাওয়া এক ব্যবসায়ীর নামে ভবনটির নামকরণ করা হয়েছে৷ একসময় মিশর থেকে যাওয়া সিগারেট, জার্মানি থেকে যাওয়া বিয়ার, ইংল্যান্ড থেকে যাওয়া ক্যান্ডি পাওয়া যেত সেখানে৷ এখন সেখানে রয়েছে রাজস্ব অফিস ও অন্যান্য বেসরকারি কোম্পানির কার্যালয়৷

ত্রিপিতাকা লাইব্রেরি


গত শতকের পঞ্চাশের দশকে এই লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠিত হয়৷

শিয়া মসজিদ


বিশ শতকের শুরুর দিকে ইরান থেকে যাওয়া অভিবাসীরা ইয়াঙ্গনে এই মসজিদটি গড়ে তোলেন৷

বন্দর কর্তৃপক্ষের কার্যালয়


মিয়ানমারের বন্দরগুলো দেখাশোনা করার দায়িত্ব যে কার্যালয়ের সেই ‘মিয়ানমা পোর্ট অথরিটি-র অফিস এটি৷

আজ এই পর্যন্তই। ভালো থাকবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৪:৫৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাংসের ভুলচুক

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:০৬


বারে কুত্তার চোখ রঙিন
স্বপ্ন দেখে তাই ঘিন ঘিন
তাই দেখে হাড্ডি হাসে
পিন পিন, নাকের পুহান ঘুম
রক্ত হবে সুরেশ এই চুম;
ঐ গুরুজনে কইছে কথা
কুত্তার পেটে ঘি করে ব্যথা
স্বপ্ন তো দেখবেই ভুক... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

×