সময়ের পরিবর্তনে বদলে যাই তুমি, আমি, আমরা।
সময় যখন দু:সময় হয়ে যায় তখন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যাক্তিটিকেও। আর দু:সময় যখন সু-সময় হয়ে যায় তখন নাকি চা দোকানদারও হয়ে উঠে রাষ্ট্রের কর্নধার। কিন্তু কিছু মানুষ থেকে যায় সবার অলক্ষ্যে তাদের কোনদিনই সামনে আসা হয়ে উঠে না। তারা প্রতিনিয়ত হেরে যায়, হেরে যাওয়া দলে যেন তাদের স্থায়ী নিবাস। তাদের থাকেনা কোন রুপকথার গল্প যেখানে আলাদিনের প্রদীপ ঘষে বদলে দিতে পারে তাদের জীবনের একটি দিন। তাদের সংসারের কোনকিছু না পাওয়া ছেলেটি হয়তো মুখ ফোটে আর বলবেনা কোনদিন, বাবা আমার সাথে যারা পড়ে তাদের এটা আছে ওটা আছে আমার যদি থাকতো! ছেলে এক সময় ভাবতো
এসব নিয়ে তার বাবা কোনদিন ভেবে দেখে না ? সে জানতোনা তার বাবার গভীর রাতের চোখের জল, কি অভিমানে বুক ভাসাতো ? মায়ের সাথে কি নিয়ে ঝগড়া চলতো রাত-দুপুর ? তার বোনটি কেন হয়েছিলো এতো ঘরকুনো? সে এখন সব জানে সব বুঝে, জানে মুখ ফোটে কিছু চাইতে নেই। একসময় কোন কিছু চাইতে গেলেই মা বলতো সামনের মাসেই যোগাড় করে দিবে, তোমার বাবার হাতটা একটু খালি যাচ্ছে তো, সামনের মাস আর মাস হয়ে আসেনা যোগাড় আর করা হয়না। মা ভাবতো ছেলে হয়তো ভুলেই গেছে আর চাইবেনা। ছেলে ঐ জিনিস চাইতো না সত্যি কিন্তু ভুলে সে যেতো না। এমনি করে দিন গেছে রাত গেছে নানা ঘটনায় কেটেছে সময়, ঐ সংসারের বাবা, মা, বোন এবং কোন কিছু না পাওয়া ছেলেটি তবুও পারেনি বৃত্তের বাহিরে যেতে এ যেন এক অদৃশ্য বৃত্তে অলিখিত নিয়ম , তাদের উপরেও যাওয়া যাবেনা, নিচেও যাওয়া যাবেনা। যখনই তারা চেষ্টা করেছে উপরে বা নিচে যেতে "বিবেক" নামক একটি শব্দ আকড়ে ধরেছে অক্টোপাসের মতো । যার ফলে বৃত্তের মাঝখানেই তাদের বিচরন। উপর এবং নিচে মোড়ানো বিত্তশালী এবং বিত্তহীনদের দ্বারা এক অদৃশ্য বৃত্ত , মধ্য তাদের অবস্থান হওয়ায় যার নাম হয়েছে
"মধ্যবিত্ত। "

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


