
-বই হাতে নিয়ে বসে আছি।তুমি?
-আযান দিচ্ছে এখন নামায পড়বো।তুমিও পড়ো।
-প্যান্ট অপবিত্র
-তো কি হইছে?লুঙ্গী নেই?রুমমেটের একটা পবিত্র কিছু পরে নামায টা পড়ো।
-লুঙ্গী ছিলো এখন এটা ঘর মোছার ক্ষেত্রে ব্যবহ্রত হয়।আর রুমমেট আমার থেকেও অপরিষ্কার।
-হইছে আর কারণ দেখানো লাগবে না।নামায পড়ো না কেনো?
-অলস।
-প্রতিদিন তো ঠিকই রাত জাগতে পারো তখন কষ্ট হয় না।আর ফযরের নামায টা পড়তে বলছি বাহানার শেষ নেই।
-জ্বী
-কি? নামাযটা পইড়ো
-পরকালে বিশ্বাস থাকলে ইহকালে কখনো তুমি মানবিক হতে পারবে না।
-আজাইরা কথা বন্ধ করো,নামায পড়ো
-এটা আমার কথা না,আমেরিকান সাহিত্যিক কুট র্ভনেগাট বলেছেন।
-এসব ফালতু কথা মানো কেন?
-আবার উড এলেন বলেছেন তোমাদের কাছে আমি নাস্তিক কিন্তু ঈশ্বরের কাছে আমি শুধু মাত্র একজন অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধতাকারী।
-ধুর
-ভালো আর যুক্তিমূলক কথা বললেই ধুর।
-হইছে তুমি থাকো তোমার ভালো আর যুক্তিমূলক কথা নিয়ে।আমার সাথে আর কথা বলতে আইসো না।আমাদের সম্পর্ক এখানেই শেষ।যেদিন থেকে তুমি নামায পড়া শুরু করবা সেদিন আমাদের কথা হবে।
-এসবের মানে কি?
-মানে খুবই সহজ।নামায।এই আমাকে আর বিরক্ত করবে না।
-আচ্ছা তুমি আমার কথাটা বুঝার চেষ্টা করো এত অস্থির হচ্ছো কেন?
-তোমারে না মানা করছি আমার সাথে কথা না বলতে।আমারে আর ম্যাসেজ দিবা না।আর যদি দাও তাহলে আমি যে কোনো ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাবোধ করবো না।
-নামাযের জন্য তুমি এমন করছো?
-হুম করছি,আমি একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম ঘরের সন্তান।তাই করছি।আরেকবার যদি তুমি ম্যাসেজ দাও তাহলে দেইখো আমি কি করি?
-
-
-
এভাবে একটা সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলো নামাযের জন্য।নামায,ধর্ম নিয়ে তর্ক,বিতর্ক আমার ভালো লাগে না।আমাদের দেশে এখনো কিছু কিছু ভন্ড আলেম ওলামা আছে তারা ইসলাম সম্পর্কে কিছুই জানে না,দেখা গেছে নামাযের দোয়াটাও ঠিক মত জানেনা।কিন্ত ইসলাম নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলে,অনেক ফতোয়া দেয়।এরাই ধর্মের মধ্যে ভেদাভেদ,ফেতনা,সৃষ্টি করে।আমাদের প্রথম পরিচয় আমরা মানুষ।ধর্ম নিয়ে এত ভেদাভেদের কি আছে, আগে প্রকৃত মানুষ হই,মানবতা বজায় রাখি তারপর না হয় ধর্ম।
আমি পৈত্রিক সূত্রে মুসলিম।কিন্ত প্রকৃত মুসলিম না।
বি.দ্রঃনামায পড়ার চেষ্টায় আছি।সম্পর্ক টা টিকিয়ে রাখা ধরকার।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



