ফার্মগেট তৃতীয় ব্রিজের একটুসামনে দাড়িয়ে আছি।উদ্দেশ্য রাইডার।রাত 9.30(আনুমানিক)।অনেকহ্মন দাড়িয়ে থাকার পর একটি রাইডার আসল। দেরি না করে উঠে বসল্লাম।আরও কিছুহ্মন পর রাইডার ছেড়ে দিল।আসাদগেট আড়ং এর সামনের সিগনাল।একটি ছোট ছেলে (বয়স আন্দাজ করতে পারছি না, হাটতে ও কথা বলতে পারলে বাচ্চাদের যেই বয়স হয়, সেই বয়সের ) হেলপারকে বলল "ভাই আমারেএকটু গাড়িতে উঠাইয়া দিবেন" হেলপার তাকে কোলে করে গাড়িতে উঠিয়ে নিল। আমার নজর ছেলেটির দিকে আটকাত না যদি তাকে আমি ভালভাবে লহ্ম না করতাম।হাতে তার একগুচ্ছ ফুলের মালা অন্য হাতে প্যাকেট করা পপকর্ন। আমি কিছুহ্মন বাচ্চাটি দিকে অবাক হয়ে অপলক তাকিয়ে থাকলাম।যে কিনা গাড়িতেও উঠতে শিখেনি তাকে আজকে রোজগার করতে হচ্ছে। জীবনকে বোঝার মত কতটুকুই বা বয়স হয়েছে তার।মুহূর্তের মধ্যেই চোখ ভারী হয়ে আসল কিন্তু নিজেকে সামলে নিলাম।বাস্তব বড়ই কঠিন।আমি চিন্তা করলাম এই কষ্টই হয়ত তার নিয়তি। পরহ্মনেই মনে পড়ল জীবনের আরেক নামই তো কষ্ট।
(2)
ফার্মগেটের প্রথম ওভারব্রিজের ওপরে আমি। লোডশেডিং এর কারনে পুরো এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন।মাঝখানে এসে কিছুহ্মন দাড়ালাম দু পাশ দিয়ে অগনিত গাড়ি যাচ্ছে আসছে। তাদের হেডলাইটের আলোর ঝলকানির এক অপূর্ব দৃশ্য দেখলাম। কিছুহ্মনের জন্য নিজেকে আলোকিত মনে হল।কিন্তু এরপর নিজেকে সেই অন্ধ্যকারেই আবিষ্কার করলাম। নকল আলোয় কতহ্মনইবা নিজেকে আলোকিত রাখব।নেমে আসলাম নিচে । ফুটপাত দিয়ে হাটতে হাটতে মনে হল এত কষ্ট কেন এই জীবনে।এত কষ্ট কেন ??????????????????????????????????????????????
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




