বাংলাদেশে এখন কতগুলো যে ওষুধ কম্পানী আছে তা কারো জানা নাই এবং গুটি কয়েক ছাড়া বাকিগুলোর মাণ কি সেটাও বলা মুশকিল। তাছাড়া ওষুধ সম্বন্ধে আমরা কম জানি বলে চিকিৎসক যা দেয় সেটাই খেয়ে যাই কোন প্রশ্ন ছাড়াই। আর এখানেই সুযোগ নিচ্ছে নিম্নমাণের ওষুধ কম্পানীগুলো। অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে যেমন দাম দেখে কিছুটা হলেও মাণ যাচাই করা যায় ওষুধের ক্ষেত্রে সেটা যায় না। এটা ওষুধ কম্পানীগুলোর চালাকি যাতে লাভও বেশী। এই বেশী লাভ থেকে তারা যেটা করে থাকে ত হল দোকানদারদের বেশী কমিশন দিয়ে থাকে যাতে তারা ঐ কম্পানীর ওষুধ পুশ সেল করে থাকে এবং চিকিৎসকদেরও বেশী করে ঘুষ দিয়ে থাকে, এতে তাড়াও ঐ সব কম্পানীর ওষুধ প্রেসক্রাইব করে থাকে।
তবে ওষুধ চেনা খুবই সহজ, একটু ভাল করে খেয়াল করতে হবে ওষুধের নাম টা। ওষুধের মূলত দুইটা নাম থাকে, একটা ব্র্যান্ড নেম আর আর একটা হল জেনেরিক নেম বা ফার্মাকপিয়া নেম। ব্র্যান্ড নেম হল যে নামে কম্পানী বাজারজাত করে থাকে এটা ওষুধ এর গায়ে বড় করে লেখা থাকে বা চিকিৎসকের ব্যাবস্থাপত্রেও এই নাম থাকে। ঠিক এই নামের নিচেই দেখবেন ছোট করে একটা বা কিছু কিছু ক্ষেত্রে একাধিক জটিল নামবা উপাদানের নাম লেখা থাকে। যেমন নাপা বা এস্ হচ্ছে ব্র্যান্ড নেম এবং এদের জেনেরিক নেম হচ্ছে প্যারাসিটামল। এভাবে আপনারা বিদেশী ওষুধের দেশী নাম এবং এর উল্টটাও জানতে পারবেন।
এখন আমাদের করণীও হচ্ছে চিকিৎসক যে ওষুধ দিয়ে থাকুক না কেন সেটা যদি আপনার বিবেচনায় ভাল কম্পানীর না হয় আপনি ঐ ওষুধের জেনেরিক নাম দিয়ে দোকানদারকে ভাল কম্পানীর ওষুধ দিতে বলবেন। মনে রাখা জরুরী যে ওষুধের মানের উপর আপনার সুস্থতা নির্ভর করে। এছাড়া বাংলাদেশের তৈরী ওষুধ নিয়ে একটা ওয়েব সাইট আছে যেখানে আপনারা সব কম্পানীর সব ওষুধের নাম খুজে বের করতে পারবেন।
বিডিড্রাগস - বাংলাদেশের ওষুধ ডাটাবেজ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


