somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা, আওয়ামিলীগ-বিএনপি, ভারত-পাকিস্তান সব সমর্থকদের চরিত্রই কি এক?

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফুটবল খেলা হোক, রাজনিতী হোক বা ক্রিকেট খেলাই হোক, সমর্থদের মধ্যে একটা অদ্ভুত মিল লক্ষ করলাম। সবাই তার প্রতিপক্ষ দলকে শুধু নিজের চেয়ে নীচে নামিয়েই প্রমাণ করতে চায় যে তারাই সেরা। নিজেদের বড় প্রমাণের একটাই মাধ্যম তা হল প্রতিপক্ষকে কত নিচে নামাতে পারে।

আর একটা বড় মিল হল বিদ্বেষ, প্রতিপক্ষের প্রতি এত ঘৃণা ও বিদ্বেষ যেন তারা জন্মগত শত্রু। আর কোন ভাল বিকল্প না থাকা স্বত্তেও তারা কখনওই প্রতিপক্ষ দলকে সমর্থন করবেতো নাই উল্টো তাদের বিরোধিতা করবে। এবং প্রতিপক্ষের দু:সময়ে উল্লাস প্রকাশ করবে।

প্রতিপক্ষ যতই ভাল কাজ করুক বা ভাল খেলুক, এক দলের সমর্থকরা সেটা স্বিকার করবে না বা অভিনন্দনতো জানাবেই না বরংচ সেটাতে খুত বের করার বা অন্য কারো প্রভাব খাটানো বা অন্য কোন শক্তির বা হাতের কাজ বলে ধরে নিবে।

নিজের দল খারাপ করলেও সেটা হবে অন্য কোন হাত বা শক্তির কাজ যেমন রেফারী, আম্পায়ার বা টাকার কারসাজী।

কখনই তারা প্রতিপক্ষ দলের সাথে মুখোমুখি হতে চায় না, তারা চায় তাদের প্রতিপক্ষ অন্য কারো কাছে হেরে খেলা থেকেই বা রাজনিতী থেকেই বিদায় নিক।

এসব আসলে আমাদের সংস্কৃতিরই অংশ, আমরা আসলে অন্যকে ছোট করে বড় হতে চাই, কারো ভালো দেখতে পারি না এমনকি অন্য কেউ ভাল করলে সেটাও গ্রহণ করার মানসিকতা রাখি না। এটা আসলে আমাদের কে ছোট বেলা থেকেই শেখানো হয়। আমরা আসলে প্রতিযোগী না হয়ে প্রতিপক্ষ হয়ে যাই। এই মানসিকতা নিয়ে কি কোন জাতি কখনও বড় হতে পারবে? এমনকি খেলার সময়ও নিজের ভাই, বন্ধু, আত্মীয়, প্রতিবেশী সবাই যেন সবার প্রতিপক্ষ হয়ে যাই এবং খেলাটা উপভোগ না করে প্রতিপক্ষকে পচানোতেই বেশী আনন্দ পাই।


সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৫
৭টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চেয়ারের আত্মকথা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩০


চেয়ারের আত্মকথা

চেয়ারটি নাকি একদিন দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেছিল, "মানুষ আমাকে যতটা ভালোবাসে, আমাকে বানানো কাঠটাকেও যদি ততটা ভালোবাসত, তবে পৃথিবীতে এত অহংকার জন্মাত না।"

আমি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, "কেন?"

চেয়ারটি বলল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেনাবাহিনী যখন দেশপ্রেম দেখাতে ব্যর্থ ‼️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১:৫০



গণঅধিকার পরিষদ ছেড়ে আসা বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘ক্যান্টনমেন্টের স্পষ্ট ক্লিয়ারেন্স পাওয়ার পর নাহিদ ইসলাম এক দফার ঘোষণা করেছিলেন।’ জুলাই বিক্ষোভ নিয়ে শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×