
উপরে আঁধারের প্রলোভনে পরিপূর্ণ নক্ষত্রের ফোস্কা,
দেখেছি মর্তের আদ্যোপান্ত প্রাণহীন মৃতদের বর্ণিল হাসি সেই নক্ষত্রের সীমানায়।
দেখেছি প্রেমে আড়ষ্ট আকাশের বুকে জ্বলজ্বল করছে তারা,
অবাক বিস্ময়ে আমার লকলকে কালো চোখ
সেই দুর্দান্ত, রোমশ মহাপ্রান্তরে হারিয়ে গিয়েছিল।
আমি ঘুরছিলাম সেই আকাশের উত্তরীয় স্বপ্নে, বিসর্গ ছায়াপথে-
দেখেছি অনেক শহর, মানুষ, কালো মেঘেদের মায়ারূপ,
কেমন ধরা বর্ণছড়া লুকায়, জাগায়, আত্মশ্বাসে -
শেষ কি যেন আরেক তনু! কিসের মায়া!
তবুও ঠিক। শুদ্ধ আমার কল্পনার সে স্মিত অনুভবে শিশির ঝরেছে।
মন বৃত্তানন - যেখানে প্রতিষ্ঠা পায়
সাধ্যের সাধনায় হৃদয়ে আনন্দে ও হতাশায়, আত্মছায়ার ভেতর।
অবশেষে মন; আমারি যখন, হয়ত তুমিও ঠাই দেবে তারে কোন ক্ষণে।
কিন্তু আমি বলি এই পূর্ণামহালের রাতে তুমিও এখনি নিশীথাচারী হও।
শিশির হও, মুগ্ধ সুস্বন-মুরলীর সম্মোহী সুরের সহচরী হও;
গন্তব্যপথে তোমার, আমিও রইব এই ক্ষণে -
এরপর সাতনরী হারের ঢালীতে বরন করে (পরম সুখে)
জং ধরা এই মহানগরীর আত্মোদরে -
আমদের শৌভিক যুগ্মপ্রাণ মন্ত্রবেধের উৎসাহে হাসবেনা আর,
কাদবেনা শুধু প্রসন্নপ্রীতির বশীভূত পরিচয়ে;
তখন শুধু হেটে যাব মুক্তবিহারী আমরা দুজন,
আমাদের নিজ আলোয়............।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




