এই প্রশ্নটি আমার মনে প্রায়ই উদিত হয়। শুক্রবারে জুম্মার নামাজ পড়তে গেলে প্রশ্নটি আবারও মনে জেগে উঠে। প্রশ্নটি হচ্ছে, মসজিদে যিনি নামাজ পড়ান অর্থাৎ ইমাম সাহেবের পেশা কি? বিশিষ্ট ইসলামী পোস্টদাতা সহব্লগারগণ ব্যাখা করলে আমি নাদানসহ আরো অনেকে উপকৃত হবেন বলে আমি মনে করি।
ইমাম সাহেব নিজে নামাজ পড়েন। আমরা তার পিছনে নামাজ পড়ি। উভয়ের জন্য নামাজ ফরজ। আমরা ফরজ আদায় করছি। এর দ্বারা আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করছি। বাকিটা আল্লাহ সোবাহানা তায়ালার মর্জি। আমার প্রশ্ন, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইমাম সাহেব কেন বেতন নেবেন? তাহলে তো ধরা যায় ইমাম সাহেবের নামাজ পড়াটা একটা কাজ। এই কাজের বিনিময়ে তিনি বেতন নিচ্ছেন। বিশিষ্ট ব্লগার নতুন নকিব, সনেট কবি, ফরিদ চৌধুরী, মাহমুদুর রহমান সহ সবার কাছে কোরআন আর হাদিসের আলোকে ব্যাখা করার জন্য অনুরোধ করছি।
আমার নিজের মত এই যে, নামাজ পড়িয়ে বেতন নেয়া উচিত নয়। ইমামতি করবেন এলাকার যিনি মুরুব্বী, ভালো ধর্মীয় জ্ঞান রাখেন তিনি। একই সাথে আমার মনে হয় আজান দেয়াটাও কোন পেশা হতে পারে না। যার গলার স্বর সুন্দর তিনি স্বেচ্ছায় আজান দিতে পারেন। আমার মনে হয় এতে সাধারণ মানুষ আরো বেশী ইসলামী জ্ঞান চর্চায় এগিয়ে আসবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




