গত অর্থবছরে ৩১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয় দেশে এসেছিল। ওই অংক ছিল আগের বছরের চেয়ে ৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ ১২ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে। এই অংক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ বেশি। সর্বশেষ নভেম্বর মাসে রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আমদানি খাতে ব্যয় কমেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে যেখানে এ খাতে ব্যয় ১১ দশমিক ২৬ শতাংশ বেড়েছিল, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে সেখানে ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। মূলত জ্বালানি তেল আমদানিতে খরচ কমায় সামগ্রিক আমদানি ব্যয় কমেছে। গত ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জ্বালানি তেল আমদানিতে এলসি (ঋণপত্র) খোলার পরিমাণ ২০ শতাংশের মতো কমেছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) কমেছে প্রায় ৫০ শতাংশ। আমদানি কমায় বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) বড় উদ্বৃত্ত ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। সামষ্টিক অর্থনীতির আরেক গুরুত্বপূর্ণ সূচক রাজস্ব আয়। ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭১ কোটি টাকার বিশাল আয়ের লক্ষ্য পূরণে প্রথম প্রান্তিকে বড় ঘাটতি কাটিয়ে নভেম্বরে এসে প্রায় ২৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর। নতুন বছরে কার্যকর হবে সংশোধিত মূল্য সংযোজন কর আইন। অনলাইনে কর এবং মূসক দেয়ার সুবিধাও পাবেন করদাতারা। সব মিলে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে ১৩ দশমিক ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল। বরাবরের মতো অর্থনীতিতে সুখকর অবস্থা তৈরির ভিত মজবুত করে চলেছে কৃষি। শষ্য উৎপাদন এবং কৃষির বিভিন্ন খাত-উপখাত সব ক্ষেত্রেই ভালো করেছে বাংলাদেশ। কৃষিখাতে ২০১৫ সালে বেশ কয়েকটি ভালো খবর এসেছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও’র কাছ থেকে। ফল উৎপাদন বৃদ্ধির হারে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে শীর্ষে। আম এবং পেয়ারা উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান যথাক্রমে সপ্তম ও অষ্টম। ২০২২ সালে মাছ উৎপাদনে যে চারটি দেশ ভালো করবে- সেই সম্ভবনার তালিকাতেও আছে বাংলাদেশের নাম। এফএও’র সহযোগিতায় সবচে বড় চেইন ওয়ালমার্টে আম রপ্তানি শুরু হয়েছে এ বছরই।

সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৪:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




