somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেড়েই চলচে ভূ-পৃষ্ঠ উষ্ণতা

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


চলতি বছরের তাপদাহ পূর্বের সকল রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। এই তাপদাহে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি নাগরিক জীবন স্তব্ধ ছিলো। বর্তমানে ঋতু পরিবর্তনের বিষয়টি চোখে পড়ার মতোও না। ভূ-পৃষ্ঠের বেড়ে যাওয়া উষ্ণতা কেবল বাংলাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। পৃথিবী যে হারে উষ্ণ হয়ে উঠছে তা গত এক হাজার বছরের মধ্যেও দেখা যায়নি। এই গতিকে অভূতপূর্ব বলে দাবি করেছেন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পরিবেশ বিজ্ঞানীরা। এই উষ্ণতা বৃদ্ধি মানব সভ্যতার জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিককালে পৃথিবীজুড়ে উষ্ণতা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখযোগ্য মাত্রায়। চলতি বছর বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ১.৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা ১৯ শতকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির গড় প্যারিস ক্লাইমেট অ্যাকর্ডে উল্লেখিত ১.৫ ডিগ্রির বিপজ্জনক মাত্রার কাছাকাছি। চলতি বছরের জুলাই মাস ছিল ১৮৮০ সালের পর থেকে রেকর্ড করা ইতিহাসে উষ্ণতম মাস, নাসার গডারড ইন্সটিটিউট ফর স্পেস স্টাডিজ-এর গভেষনা মতে গত ৩০ বছরে আমরা অস্বাভাবিক একটি অবস্থায় প্রবেশ করেছি। এই অবস্থা গত এক হাজার বছরের মধ্যে ঘটেনি। বিংশ শতকেও কখনও এমন অবস্থা দেখা যায়নি। ২০১৬ সালে উষ্ণতার রেকর্ড যে সর্বোচ্চ হবে, তা ধারণা করা হয়েছিল। কেননা ২০১৬ সালে বৈশ্বিক তাপমাত্রার ওপর এল-নিনোর প্রভাব পড়েছে। কিন্তু এর আগে ২০১৫ এবং ২০১৬ সালও ছিল আগের বছরগুলোর তুলনায় উষ্ণতম। এমন ভাবার কোনও কারণ নেই যে, বিষয়টি এখানেই থেমে থাকবে। তাপমাত্রা বাড়ার কোনও বিরতি ঘটছে না। আগামী ১০০ বছর এই সংকট মোকাবিলা করতে হবে পৃথিবীর মানুষকে এবং উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে অনেক প্রাণী। বরফ যুগের পর সাধারণভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা পাঁচ হাজার বছরে ৪ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লে তাকে স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়া যায়। কিন্তু এখন পৃথিবীর তাপমাত্রা যে হারে বাড়ছে তা সেই গতির ১০ গুণ বেশি। এই হার থেকে হিসেব করে দেখা যাচ্ছে, আগামী ১০০ বছরে এই হার হবে স্বাভাবিকের চেয়ে ২০ গুণ বেশি।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৩:৫৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন লা-মাযহাবিকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার কারণ কী ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:৩২


আজকে নতুন চারটি মুখ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলো। এর মধ্যে একজনকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে । বলছি ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকনের কথা। তিনি একজন লা মাযহাবি বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবীপ্রসাদ যাত্রা

লিখেছেন জ্যোতির্ময় ধর, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:২১


আমি তখন ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। চট্টগ্রামের মোমিন রোডের রুচিশীল বই বিপণি কথাকলির বুকশেলফে চোখ বুলাচ্ছিলাম । হঠাৎ একখানি বইয়ের ওপর এসে থমকে গেল আমার চোখ । "ক্ষুদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুর্ভিক্ষের আওয়াজ কি আমরা বাংলাদেশিরা শুনতে পাচ্ছি?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৪৩

মুচলেকা দিয়ে, গোপন সমঝোতা করে মীর জাফর কিংবা মীর কাসিমের মতো “কথিত ক্ষমতার” সিংহাসনে বসা যায় ঠিকই কিন্তু বসে বসে জনগণের সর্বনাশ দেখা ছাড়া তাদের বিশেষ কিছু করার থাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সম্ভাবনার বন্দি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:১৮



বান্দরবান জেলা কারাগারের চারপাশে পনেরো ফুট উঁচু পাথর ও কংক্রিটের নিরেট প্রাচীর। তারও ওপরে পেঁচানো ধারালো কাঁটাতারের জাল।

বর্ষার কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে ৩ নম্বর ব্লকের সংকীর্ণ সেলে শান্ত হয়ে বসে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ২২ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:১৮



- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।

- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×