আন্তঃদেশ ও আঞ্চলিক সংযোগ স্থাপনে বাংলাদেশ ও ভারত বেশকিছু সফল উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অন্যতম। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পাল্টে যাবে দক্ষিণ এশিয়ার দৃশ্যপট। একই সঙ্গে ভূমি ও জলসীমায় আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতার সংযোগ এবার মহাকাশ পর্যন্ত বিস্তৃত হলো। আসছে দিনগুলোতে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এই স্যাটেলাইট। ‘সবকা সাথ, সবকা বিকাশ’ এই স্লোগানকে ধারণ করে সবার সঙ্গে সবার উন্নয়ন ও বিকাশে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি প্রতিবেশি দেশের অংশগ্রহণে মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর এই উদ্যোগ নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। একে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ভারতের একটি উপহার হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এই স্যাটেলাইট বাংলাদেশে নতুন মাত্রা যোগ করবে। এ স্যাটেলাইটের ১২টি অংশ রয়েছে। যার একটি অংশ নির্দিষ্ট রয়েছে বাংলাদেশের জন্য। উপগ্রহের মতো মহাকাশে বিচরণ করে এই স্যাটেলাইট বাংলাদেশকেও দেবে পৃথিবীর নানা তথ্য। এই স্যাটেলাইট এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বদলে দেওয়ার মাধ্যমে এই অঞ্চলের চেহারাই পাল্টে দেবে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ বিভিন্ন ইস্যুতে পরস্পরের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবে। স্যাটেলাইট দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করবে। বাংলাদেশ তার নিজস্ব স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে আগামী ডিসেম্বরে। তবে তার আগেই এ স্যাটেলাইটের হিস্যা থেকে উপকৃত হবে দেশ।

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



