
গুপ্তধনের মত আগলে রাখি আত্মায়
অনুচ্চারিত চিৎকার সমূহ,
বধির দেয়ালে কোন ফাটল
আমিও চাইনা-অন্য সকলের মত।
বিভৎসতম শকুনের নখর উঁচিয়ে-
প্রতারনা, হিংসা বা রিরংসা, ক্রুড়তা,
ঘনীভূত অন্ধকারের মত গিলে খাচ্ছে চরাচর।
নতুনতর উচ্চতা ছুঁয়ে ছুঁয়ে
অতিক্রম করছে নিজের সীমানা-
কোন এক মহাকালের পুস্তকে
অমোঘ মাইলফলক রচনা করবে ;
সহস্রাব্দের প্রারম্ভিক প্রহরেই।
অক্ষম ক্ষোভ, হতাশা, ক্রোধ,
বিক্ষোভ, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ-
ক্রম মিইয়ে যায়,
নিস্তেজ ভেজা বারুদের স্তুপে ;
মনস্তাপও ঢুকে পড়ে সুযোগের জংগলে ,
শিড়দাঁড়ার শৈত্যপ্রবাহ
ঢেকে রেখেছি পশমী কম্বলে।
এস, এখন আমরা চোখ রাখি
বিজ্ঞাপনের মোহন রং এ,
ভেসে যাই প্রমোদ তরীতে,
এডভেঞ্চার খুঁজে পেতে
অন্নপূর্ণা চূড়ার পথ ধরি
মৃত্যুমুখ সেখানেও খোলা; তাতে কি?
বিপন্নতার ধারাপাতেও সম্মানজনক
একক খুঁজে নিতে হয়।
তবু যেন কেউ কেউ অনুচ্চারিত চিৎকারাংশ
জমা করছে গোপন অর্ন্তজালে।
নীরব প্রত্যাশার পলি জমে ওঠে
অনিশ্চিত কাকে যেন ঘিরে-
সুফলা সময় এলে সে অথবা তারা -
অর্ন্তলীন ভাষা ঠিক বুঝে নেবে,
সোনামুখি সুঁই দিয়ে জুড়ে দেবে
ছিন্নভিন্ন আকাশ জমিন,
অতঃপর নীল পর্বতের পথে পথে -
অবসন্ন পথিকের অভিকাঙ্খী দিকনির্দেশনা হবে।
-------------------
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০২৪ সন্ধ্যা ৭:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



