ইজ্জত-অাব্রু ঢেকে রাখা ফরজ।
নামাজ পড়া ফরজ।
এখন কেউ কোন এক হুযুরের নিকট শুনলো যে, পাপড়ী মাথায় দিয়ে নামাজ পড়লে নামাজে কয়েকগুন সওয়াব বেশি হয়।
তো, উনি এই মসলা শুনে নামাজ পড়তে গিয়ে স্বরণ হলো পাগড়ী অানেন নাই।
এখন, অধিক সওয়াবের অাশায় লুঙ্গি খুলে মাথায় বেঁধে নামাজ শুরু করলেন।
তার মানে হলো, ফরজ তরফ করে ফেলেছেন। অর্থাৎ নামাজই নষ্ট করে ফেলেছেন।
যেটা বলতে চাচ্ছি,
যেসব যুবক সাধারণ মানুষকে (তা সে যে ধর্মরেই হোক না কেন) হত্যার মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতে চায় তারা উপরের উদাহরনটির মতই অবস্থা।
মানুষ হত্যা (কবিরা গোনাহ অর্থাৎ বড় গোনাহ) করে ইসলাম কায়েম করা কোন কিতাবে তারা পেয়েছে অামার জানা নেই।
ইসলামে কয়েকটি ক্ষেত্রে হত্যা করা জায়েজ। তারপরও সেই মৃর্ত্যুদন্ড কার্যকর করবে রাষ্ট্র। কোন ব্যক্তি নয়।
রাষ্ট্র যদি না করে তবে ঈমানী দায়িত্ব হবে অান্দোলন করা। তবে সেটা কোন দাঙ্গা-হাঙ্গামা, ফ্যাসাদ করে নয়।
একজন ভিন্ন কোন ধর্মের পরিবারে জন্মা হলো -নিশ্চই এটা তার অপরাধ নয়।
এটা বিধাতার ইচ্ছা।
সে যদি মৃর্ত্যুর পূর্বেও সঠিক পথ পায় বা হেদায়েত প্রাপ্ত হয়-তবে সেটাই হবে তার সাফল্য।
এগুলো পথভ্রষ্টঃ
এই বিপথগামী যুবকগুলো রেষ্টুরেন্টের ভীতর নামাজ পড়েছে, সেহরী করেছে, নামাজ পড়িয়েছে, জিম্মিদের ভীতর কাউকে অাবার পরীক্ষা স্বরুপ সুরা কেরাত পড়তে বলা হয়েছে।
হে যুবক, তোমার কিসের মুসলমান! তোমার বেহেস্তের টিকিট কাটতে যেয়ে দোযখের টিকিট কেটে ফেলেছো।
অাল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করবেন কি-না জানিনা।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১৬ সকাল ১০:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


