
বিষাক্ত ফণা তুলে এসো নাগিনী
বিষাক্ত ফণা তুলে এসো নাগিনী
সর্পিল পথ বেয়ে ;
ফুসলে ওঠ মায়াবী রূপের জোছনায়
গরল ঢেলে দিয়ে— আমার সারা গাঁয়।
বিষাক্ত ছোবলে মায়াবী স্তন মেলে
আচড় কেটে জর্জড়িত করো
প্রতিশোধের প্যাঁচানো স্পৃহায়।
আর শুষে নিও ক্লান্ত দেহের সবটুকু নির্যাস
অশান্ত গ্রীবা ফেলে —যষ্ঠ ইন্দ্রিয় মেলে
সঙ্গম উল্লাসে গেয়ে ওঠো সাপিনীর গান।
কোমর দুলিয়ে ,
যৌবন জোয়ারে দাও ভাটির ওল্টো টান।
সবটুকু জল চেটে
অহমিকার তলপেটে যাও ফোলে
সযতনে দানো নতুন সৃষ্টির কল্যাণ;
তৃপ্তির ঢেকুর তুলে
বিষাক্ত ছোবলের জ্বালা নিয়ে এসো
জুড়িয়ে যেয়ো তব তৃষিত অধরখান ।

একটি রঙিন ঘুড়ি
ভালবেসে মনের হরষে উড়িয়েছিলেম একটি রঙিন ঘুড়ি
মোর শখের লাটাইয়ের চিকন সুতো একটু একটু ছাড়ি।
দিনে দিনে রঙিন পাখা মেলে
উড়লো ঘুড়ি দূর আকাশের নীলে।
রঙিন ঘুড়ি
আকাশ থেকে দেখলো নীচে তুচ্ছতর লাটাই
আর ক্ষীণতর এক সুতো ;
গর্বে ফোলে ভাবলো ভুলে
এই সুতোতে তারে রাখবে বেঁধে নিয়ত!
তারও অনেক নীচে উড়ছিল ঘুড়ি শত শত
সেগুলোর সুতোয় দারুণ কারুকাজ প্রজাপতির মত।
এসব ভেবে রঙিন ঘুড়ি
চিকন সুতো অবহেলা করি
চোখ রাঙিয়ে চায় ;
ভারসাম্যের সব হারিয়ে
এদিক ওদিক যায় ।
রঙিন সুতোয় খেই হারিয়ে
চিকন সুতোয় পাল্টি মারে
নিয়তির প্রবঞ্চনায় ;
সুতোয় সুতোয় যুদ্ধ হলো
চিকন সুতো ছিড়ে গেল
মিথ্যে অভিপ্রায় !
তুচ্ছ লাটাই সুতো ছাড়া,
রঙিন ঘুড়ি বাঁধন হারা,
প্রচণ্ড অহমিকায় ।
নীল আকাশের নীল ছেড়ে
রঙিন ঘুড়ি ছুটলো ঝিলের পরে
হয়ে সে নিরুপায় ।
গর্ব তার খর্ব হলো
ঝিলের বুকে সব হারালো নিয়তির ছলনায়।
ভালবেসে একটি ঘুড়ি উড়িয়েছিলেম আকাশের সীমানায়
সে ঘুড়িটি সব হারালো অহমিকার বিভীষিকায় ।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মার্চ, ২০১৫ দুপুর ১:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






