বছর জুড়ে চেষ্টা করে একবার মাত্র ধান চাষ
পশু আর হাস পালন যাদের মনে দেয় আশ।
অমানবিক পরিশ্রম শেষে উপার্জন যাদের হাতে গুনা
সেই হাওড়বাসী অনাহারীর ক্রন্দনরোল যায় কি শোনা?
প্রখর রৌদ্রে পোড়ে পোড়ে
ঘর্মাক্ত দেহ ভীষণ ক্লান্তি আর অনাদরে
হতভাগ্য হাওড়বাসী
সব তার নেয় কেড়ে জনা কয়েক মহাজনে
বর্গাচাষীর কপালে আর কয়টি মাত্র টাকা জুটে
এই নিয়ে অনাহারে হাওড়বাসীর জীবন কাটে।
তারপরও বন্যা যদি আঘাত হানে একটি মাত্র ফসলচাষে
নেয় ভাসিয়ে বাড়িঘর আর গৃহস্থালী কড়াল গ্রাসে
এমতর কঠিন জীবন বল আর কজনার ললাটে আছে?
অন্ন নেই বস্ত্র নেই সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নেই
লেখপড়া যাতায়াত ব্যবস্থা দৈন্যতা সবখানেতেই।
জেলের দল মাছের আশায় নৌকো ভাসায় হাওড় জলে
সে মাছগুলো যদি যায় মরে অভিশপ্ত বানের জলে
সে কেমন বিড়ম্বনা ?
হাওড়বাসী জীবনটা আজ প্রকৃতির রোষানলে
হাওড়বাসীর দোষ কতটুকু ভাগ্যবিধাতা ঠিকই জানে।
সভ্য মুখোশধারী অসভ্যরা সব ধন সম্পদ আর ক্ষমতার লোভে
অবিবেচনার শিখরে চড়ে প্রাকৃতিক দূর্যোগ আনছে ডেকে
রাষ্ট্রনামের যন্ত্রগুলো কার কল্যানে মেতে আছে?
মানুষের চেয়ে বড় কিছু এই ভূবনে কেউ কি আছে?
হাওড়বাসী মানুষ কি নয় এই প্রশ্নটি দেশবিদেশ রাষ্ট্রের কাছে!
পৃথিবীটা বাঁচবে ততদিন যতদিন মানুষেরা থাকবে বেঁচে
হাওড় বাঁচাও মানুষ বাঁচাও গবাদি পশু মানবিকতা শব্দটাও বাঁচাও।
মানুষের এই পৃথিবীটা মানুষেরা সবাই মিলে বাঁচনোর চেস্টা করতে হবে
প্রয়োজনে মহান স্রষ্টা আল্লাহর কাছে দুহাত তোলে প্রার্থনা করতে হবে;
যার যতটুকু সামর্থ্য আছে সেটা নিয়ে দুস্থদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে হবে ।
হাওড় বাঁচাও মানুষ বাঁচাও মহান স্রষ্টার কাছে দুহাত তোলে চাও ক্ষমা চাও
প্রাকৃতিক সব দূর্যোগ থেকে হাওড়বাসীর পরিত্রান চাও , ত্রাণ পাঠাও ।
উৎসর্গঃ ৯০ লাখের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হাওড়বাসী ।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


