
সীতার বনবাসের মতো
গড়েছো আবাস—নগর থেকে দূরে
লোডশেডিংয়ের কঠিন নিপীড়নে-
কভু কী ভেবেছো ছোট্ট শিশুটির কথা?
নিষ্পাপ শিশুটি প্রচণ্ড উষ্ণার্দ্রতায়
কতো কষ্টে আছে।
ভেবেছো কেবল নিজের কষ্ট গাঁথা
মনে রেখো—
অর্থের দাসত্বে নেই বিলাসিতা।
ভালোবাসার কাছে পরাজয়েও সুখ আছে
এখানে পরাজিত হয়ে ওঠে বিজয়ী।
কারণ যে বিজয়ী হয়েছে সেতো
ভালবাসার পরীক্ষার উত্তীর্ণ একজন।
ভালোবেসে লিখে গেছে সে অপরাজেয় কবিতা
সূদীর্ঘ সময় ধরে।
কার সঙ্গে করেছো অভিমান?
ভিতরে যার একটা সুখোনদী ভালবাসার রূপে
আজো প্রবাহমান !!
মানুষ ভুলের উর্ধ্বে নয়,
মানুষের ভুলের মাশুল দিতে হয়
এটাই জগতের রীতি।
জীবনের ধারাপাতে
কতটুকু সময় আমাদের ললাটে
বরাদ্দ করেছেন বিধাতা ?
যৌবনতো ক্ষণস্থায়ী ।
অযথা বিরহানলে নিজেকে পোড়ে
কাটে যদি জনম ভরে-
সেই জীবন পতঙ্গের মত
আগুনের চারিধারে উড়ে অবশেষে
পুড়ে মরে।
পারিপর্শ্বিকতা নিয়ে ভাবতে হবে
ঐ যে শিশু রাজপথে দাঁড়িয়ে সেজেছিলো যিশু
পরোয়া করেনি রক্তচক্ষু কোন।
অথবা সেই মেয়েটি যে রাস্তায়
প্লাকার্ড নিয়ে প্রতিবাদ করেছিলো নিরাপদ সড়কের দাবীতে
গর্জে উঠেছিল মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে।
ওদের পরাজিত বলো না। ওরা বিজয়ী।
ওরা পরাজয় জানে না। ওরা বিজয়মন্ত্র বপন করে বাংলার বুকে
প্রত্যয়ের বহ্নিশিখা একদিন মহীরুহ হবে।
একদিন প্রত্যোয়োদ্দীপ্ত চেতনা প্রকম্পিত করে দেবে পার্থিব ম্যুহ।
একদিন জেগে উঠবে ধূমকেতু
পেজা তুলার মতো অহংকারের মসনদ একদিন খসে পড়বে
কর্মহীন জীবনটাতো ঘাসের উপর জমে থাকা একফোটা শিশির
অহংকার মিছেই করো।
পরের তরে বিলিয়ে দিয়ে ক্ষুদ্র জীবনও
হতে পারে অনেক বড়ো ।
---------
পাটগ্রাম থেকে রংপুর ট্রেন ভ্রমনকালীন সময়ে মুঠোফোনে লেখা।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



