
অবশেষে মাঝ রাত্রিতে —ঘাম দিয়ে নামে জ্বর
জ্বরের ঘোরে মনে পড়ে—
মমতাময়ী মায়ের কথা আর অপাঙতেয় স্মৃতিরা করে ভর।
মায়ের সেবা শুশ্রুষায়
জ্বর পালিয়ে যেত
নামতো প্রশান্তির নৈঃস্বর্গ বুকে।
প্রিয়তমা লইলো না তার খবর,
শেলসম বিঁধে তা মনের ভিতর ।
একাকিত্বের গরল পান করে
বোধের দেয়ালে ক্রমাগত আছড়ে পড়ে
প্রেমহীন অবজ্ঞার কবিতা,
প্রিয়তমা এবং হিংস্র শকুনি সমার্থক যখন।
ফুলের বিনিময়ে জুটে শঠতার কন্টক
মিথ্যে অভিযোগে ক্ষতবিক্ষত—এ প্রেমিক হৃদয়।
মনে রেখো প্রবঞ্চনা কখনো প্রেম নয়—গ্রীষ্মের দাবদাহের মতো
অসহনীয় লাগে প্রাণে তা।
গণতন্ত্রের চেতনাধারি প্রহসনের কারাগারে বন্দি
তাকে মুক্ত করতে হবে—তবেই প্রতিষ্ঠিত হবে
গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার তথা আধুনিক রাষ্ট্র।
ভালোবাসার পৃথিবী আমার চাই- জ্বরে পুড়ে দেহটা হলো যেন ছাই ।
মানুষকে কষ্ট দিতে নেই....তাতে কেবল বাড়ে বিড়ম্বনা
সাফল্য নিহিত কেবল ভালোবাসাতেই
ভালোবাসার অর্ঘ্য বুকে টেনে লহ সখা এক নিমিষে।
জীবনটা এমনি প্রিয়তমা—
বন্ধুর পথে জ্বরের ঘোরে
ভালোবাসার আকূতি যেন ছড়িয়ে পড়ে
—আকাশের নীলিমায়।
সতত প্রশ্ন জাগে মনে
কবে নামিবে প্রশান্তির বৃষ্টি ?
ওগো মমতাময়ী, আমার তরে দানিবে কবে ভালোবাসার দৃষ্টি?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



