
তিনি গেলেন চলে,
না ফেরার দেশে———নিরবে!
অভিমানে? জীবনদৌড়ে
বন্ধুদের পেছনে ফেলে———সর্বাগ্রে।
তিনি কি বলে গেলেন!!
পারবে না কেহ আর———পৌঁছতে
অতদূরে, অভিনয়ের কক্ষপথে।
তিনি মূখ্য হয়ে ওঠতেন
যত ক্ষুদ্রই হোক —তার উপস্থিতি
তিনি ছড়াতেন দ্যুতি;
লুব্ধকের মতন,
চুম্বকের মতন টেনে নিতেন
মন্ত্রমুগ্ধ দর্শকের দু’নয়ন;
আর কেহ পারবে কি অমন করে?
কেহ পারে না আর.....
তাই না ফেরার দেশে থেকেও
তিনি বারবার আসেন ফিরে, স্মৃতির ক্যানভাসে ভেসে
প্রচন্ড রকম——— সরবে ।।
তার অট্ট হাসি— ঠা— ঠা— ঠা
পারবে না কেহ আর_________
প্রতিটি ফাগুনের প্রথম দিনে
আহা! দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে
তার অকাল প্রয়ান
কেবলই মনে পড়ে!!!
.................।
১৩ ফেব্রুয়ারী অথবা ফাল্গুনের প্রথম দিন ফরীদির মৃত্যু দিবস। কাঁচামরিচ ছাড়া ভাত খেতে ভালো লাগে না। ফরীদির অভিনয়, তার ভালোবাসার অসীম ক্ষমতা আমার মনে পড়ে। মুক্তিযুদ্ধা ফরীদি নিজ কর্মগুনে ধ্রবতারার মত অমর হয়ে রইলেন। তার আত্নার মাগফিরাত কামনা করি। আজ ফেব্রুয়ারির ১১ তারিখ। বেশি ক্ষণ বাকি নেই। দেখতে দেখতে তার মহা প্রয়ানের দিনটি চলে আসবে। আমরা কি পারিনা তার মত করে দেশকে ভালো বাসতে। প্রিয়জনকে ভালোবাসতে। ফরীদি যেন ভালোবাসার প্রতীক হয়ে ফোটে ওঠেন ফাগুনের প্রথম দিনে আমার তাই মনে হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




