সোনাপাখি রামধনু দেখেছো, দেখেছো কী ভালোবাসার রং?
অগণিত অবয়বের ভীড়ে অনন্ত এক প্রতীক্ষা— যখন ভীষণ রকম
তোমার দু’চোখ কী পেরেছে নিতে কেড়ে, চিনে নিতে প্রিয়তম অবয়ব
দেখেছো কী উৎকন্ঠা আবেগ?— প্রেমভরা এই মনটা,
সুতীব্র কামনায় অবাক করা ব্যাকুলতায় বেদনাভরা নির্জন দ্বীপে নির্বাসিত হলে
পাণ্ডুর বদন কেমন হয়?
তুমিহীনতার কবলে নিষ্প্রাণ ভঙ্গুর জীর্ণ দেহ
কী রঙ তার? ব্যর্থতার সৈকতে নূড়ি হাতে কোন এক প্রবাল দ্বীপে
সীমাহীন অপূর্ণতা, কি তার মুখচ্ছবি? ভাবনার রঙতুলিতে।
পেরেছো কী কভু তারে চিনে নিতে? হৃদস্পন্দন কেমন হয়
কেন হাটু কাঁপে গ্রীকদেবতাসম বীরের? কেন সে মুখোশধারী
অবয়ব লুকিয়ে রেখে প্রণয়ের আহবানে?
কেন সে উন্মুখ কেন সে ভালোবাসে রোজ
নতুন কবিতা লিখে? কী আছে তার প্রতিদানে
প্রিয়তমা কিছুই কী নেই?— উৎকন্ঠা সেখানেই
তুমি না হয় অপ্রাপ্তি রঙটা ভেবে নিও
তারপর সযতনে রেখে দিও বুকে;
সুখের ছদ্মবেশ অশেষ প্রচেষ্টায় ধরে রেখে।
তুমি না হয় বুঝে নিও স্মরণীয় প্রেমের পরিণতি
তা নাহলে খুব সোজা ! জানোতো ভালোবাসার পরিণতি কী?
যদি বলি নৌকোনদী বাসন্তীগান ।তুমি তবে বাসন্তি রং মেখে নিও
অবয়বে এই হৃদয়ে অবাক বসন্ত গড়েছে আবাস
তুমি না হয় দু’চোখ ভরে দেখে চিনে নিও চির বসন্তের রঙ
আমার এই দু’চোখে...
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





