গত ১৭ তারিখ প্রথম ফিণ্ডে গিয়েছিলাম, স্থান কুষ্টিয়া বাস টার্মিনাল সংলঙ্গ বসতি। সেখানে বেশ কিছু ঝুপড়ি জাতীয় ঘর আছে। ঘরগুলো পুরো পলিথিন দিয়ে তৈরি। এই শৈত প্রবাহের বাতাস কিভাবে আটকায় সেই সব ঘর বুঝতে পারছিলাম না! ঝুপড়ি এলাকার ছোট বাচ্চাগুলি ঠান্ডায় কাঁপছিল
এর পরের স্থান কুষ্টিয়া কোর্টপাড়া রেল স্টেশান সংলঙ্গ বসতি। এখানে এসে পূর্বের মত কোন অভিজ্ঞতা হয়নি। এখানের মানুষগুলো আসলেই খুব গরীব ছিল। খুব খারাপ লাগছিল
সন্ধার বেশ পরে আমরা কুষ্টিয়া কোর্ট পাড়া রেল স্টেশানে প্রবেশ করলাম। লক্ষ্য ছিন্নমূল জনগোষ্টি, যারা স্টেশানেই ঘুমিয়ে পড়ে। এখানে এসে দেখলাম অনেকেই চটের বস্তা গায়ে জড়িয়ে ঘুমিয়ে আছে।
এই বীর যোদ্ধার এখনও যুদ্ধো শেষ হয়নি। আমার সাথে যারা এসেছিল তারা সবাই নীরবে তাঁকে শীতবস্ত্র দিয়ে চলে গেল। আমিও ওদের সাথে চলে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ কি মনে হল ঘুরে গিয়ে প্রশ্ন করলাম,''আপনি এই দেশকে নিয়ে কি স্বপ্ন দেখেন?" উনি আমার দিকে অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকালেন। ভাবলাম উত্তর দিবেন না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত উনি বললেন,"যুদ্ধ করে মরতে চাই!" আমি তাকে আর কোন প্রশ্ন করিনি। যাঁদের নিয়ে আমাদের গর্ব করার কথা আজ তাঁরা এভাবেই আমাদের লজ্জা ঢাকতে নিজেদের লুকিয়ে রাখেন। স্বপ্ন দেখেন যুদ্ধ করে মরতে। তিনি মারা যাবেন, অবস্যই যুদ্ধ করতে করতে মারা যাবেন। কিন্তু বীর যোদ্ধার মত মরবেন না, মরবেন আস্তাকূড়ে এক বসতিতে জীবণযুদ্ধে পরাজীত সৈনিক হয়ে। এই লজ্জার দায়ভার কে নেবে . . .
পোস্ট দেখি সিরিয়াস পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। যাই হোক গত কাল আমাদের প্রোগ্রামের সমাপনী ঘোষণা করা। সমাপনী দিনে আমরা ক্যাম্পাস এরিয়ায় শীতবস্ত্র বিতরণ করলাম, সংগেছিলেন প্রক্টর স্যার ও আমাদের উপদেষ্টা মন্ডলী। আমাদের কার্যক্রমকে সাধু বাদ দিলেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



