
যুদ্ধবিধ্বস্ত লন্ডনের পিতৃমাতৃহারা এক শিশু তার খেলনা পুতুল ধরে আছে, ১৯৪৫ সালের ছবি।

নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড- নাসাউ পয়েন্ট। অ্যালবার্ট আইনস্টাইন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফেরে তখনও তাঁর জীবন নিয়ে পালিয়ে বেড়ানো শুরু হয়নি। ১৯৩৯।

২৭ বছর বয়েসী তরুণ চার্লি চ্যাপলিন- পৃথিবী মাতানো মেধাবী কৌতুকাভিনেতা ও চিত্র পরিচালক। ১৯১৬।

এলিজাবেথ টেলর- চির একাকিনী আরেক ঝড়ের নাম। ১৯৫৬ সালের ছবি।

কুৎসিত দাসপ্রথার শেকড়ে কুড়াল চালানো মার্কিন সাহিত্যিক, টম সয়্যার- হাকলবেরি ফিনের স্রষ্টা- শিশুদের স্বপ্নের নায়কদের একজন। ১৯০০।

বিমানের বর্তমান গৌরবময় ইতিহাসের পেছনের এক করুণ স্বাক্ষী, যাত্রীবাহী বিমান এলজেড ১২৯ হিন্ডারবার্গ। ৯৭ জন যাত্রী নিয়ে আগুনঘটিত দুর্ঘটনার শিকার হয় ১৯৩৭ সালের ৬ মে। ৩৫ জন পুড়ে মারা যান। মাটিতে পড়ার আরও ১ জন শ্রমিক নিহত হন।

ব্রিটেনের সেনাসদস্যদের ক’জন। বিশ্বযুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে তখনও ২ বছর বাকি। ১৯৩৯।

হিটলারের প্রচারমন্ত্রী- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন অন্যতম চরিত্র- জোসেফ গোয়েবলস। তার তত্ত্ব- কোন মিথ্যা ৩০ বছর চালু থাকলে তা সত্য হয়ে পড়ে। এ ছবির পেছনে আরও কিছু বলার আছে। তিনি ফটোগ্রাফার আলফ্রেড আইজেনস্টেড-এর দিকে ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে আছেন- কেননা, সেই মুহূর্তেই তিনি জানতে পেরেছেন- আলফ্রেড একজন ইহুদি।

এক বেকার লাতিন আমেরিকান কাঠমিস্ত্রী। ১৯৩৯ সালের ছবি।

যুক্তরাষ্ট্রের বাল্টিমোর বস্তি এলাকার এক তরুণ। ১৯৩৮ সালে তোলা ছবি।

জাপানের সার্কা তীরন্দাজদের একটি দল। ১৮৬০ সালের ছবি।
(কোন রকম বিতর্কিত করার জন্য এই পোষ্ট করা হয়নি)
দ্রষ্টব্য: আমরা চাইলেই এই ছবির মধ্য দিয়ে অনায়াসেই চলে যাওয়া যায় ১৯১৬ সালের চার্লি চ্যাপলিনের কাছে কিংবা ১৮৬০ সালের জাপানি তীরন্দাজদের কাছে। অথবা ইচ্ছে হলেই বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের সঙ্গে সাগর পাড়ে বসে গল্প করে নেয়া যায়। তয় চলেন একটু চেষ্টা করে দেখি!!
অনলাইন থেকে সংগৃহীত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

