somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোট্ট ঘটনা - ৪

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবনে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা মাঝে মধ্যে আপনাদের সাথে শেয়ার করি, কারও ভাল লাগে, কারও খারাপ লাগে, কারও বা রাগ লাগে। তবুও শেয়ার করি। আজকে একটা ঘটনা শেয়ার করব। তবে তারাই পড়বেন, যারা এর মধ্যে রাজনীতিকে জড়াবার কোন রকম চেষ্টা করবেন না। যদি বিএনপি/আ.লীগ/জামাত/অন্য কোন দল নিয়ে টানাটানি করে, তার মন্তব্য ডিলিট করা হবে।

ঘটনাটা গত মাসে। ঘটনার নায়িকা আমার এক ভাগ্নি। এই ৬ বছরের পিচ্ছি যে কত বড় ফাজিল এবং উল্টা পাল্টা কাজ করে তা বলে শেষ করবার মত না।

যাই হোক, কাহিনিতে আসি। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় একটা কাজে আপুর বাড়ি গিয়েছি। কিছু সময় পরে আমার ভাগ্নী হাজির। সে খুবই চিন্তিত। এটা অবশ্য সে সব সময়ই থাকে, শুধু যখন আমাকে মারে তখন বাদে। আমাকে মারার কাজটা সে কোন রকম চিন্তা ভাবনা ছাড়াই করে। যাই হোক, সে একটা কাগজে বানান করে কিছু এটা পড়ার এবং বোঝার চেষ্টা করছে। শেষ পর্যন্ত তার পাঠ উদ্ধার না করতে পেরে আমার কাছে নিয়ে এল। মুখে তখন পর্যন্ত চিন্তার ছাপ। কাগজটি হাতে নিয়ে দেখলাম বাংলাদেশের ব্যাংক নোট নিয়ে একটা লেখা। তাতে লেখা আছে টাকার বিভিন্ন অংশের বর্ণনা। এর মধ্যে একটা লেখা কিছুটা এমন ছিল যে, টাকার সাদা অংশ আলোর বিপরিতে ধরলে তাতে বাঘের মুখ দেখা যাবে, যা কিনা আমাদের দেশের জাতীয় পশু। যখন তাকে এটা পড়ে শুনাচ্ছিলাম তখন একটু অন্য মনস্ক ছিলাম, তাই এর পরে কি ঘটতে পারে তা নিয়ে কোন রকম চিন্তা করিনি। সে আমার কাছে একটা নোট চাইল, পকেটে যেই কটি নোট ছিল তার সবই পুরাতন, তাই তার সেই বাঘের ছবি দেখা হল না ঠিক মত। সে এক দৌড়ে তার আম্মুর ব্যাগ থেকে টাকা আনতে ছুটল। ৩-৫ মিনিট পরে এসে হাজির। বলে, "মামা, বাঘ চশমা পরেছে কেন? ও কি চশমা ছাড়া দেখতে পারে না?"

টাকাটা হাতে নিয়ে আমার অবস্থা করুন। কারণ টাকাটা ছিল একে বারে নতুন বের হওয়া ৫টাকার একটি নোট।

বাকিটা বর্ণনা করার মত ক্ষমতা আমার নাই, আপনারই বুঝে নেন।

যদিও ছোট্ট ঘটনা - ১ , ছোট্ট ঘটনা - ২ এবং ছোট্ট ঘটনা - ৩ (প্রভা - এবং আমার বন্ধু এবং আমরা) এর সাথে ছোট্ট ঘটনা - ৪ এর কোনই মিল নাই, তবুও লিংক দিলাম।
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×