জীবনে ঘটে যাওয়া বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা মাঝে মধ্যে আপনাদের সাথে শেয়ার করি, কারও ভাল লাগে, কারও খারাপ লাগে, কারও বা রাগ লাগে। তবুও শেয়ার করি। আজকে একটা ঘটনা শেয়ার করব। তবে তারাই পড়বেন, যারা এর মধ্যে রাজনীতিকে জড়াবার কোন রকম চেষ্টা করবেন না। যদি বিএনপি/আ.লীগ/জামাত/অন্য কোন দল নিয়ে টানাটানি করে, তার মন্তব্য ডিলিট করা হবে।
ঘটনাটা গত মাসে। ঘটনার নায়িকা আমার এক ভাগ্নি। এই ৬ বছরের পিচ্ছি যে কত বড় ফাজিল এবং উল্টা পাল্টা কাজ করে তা বলে শেষ করবার মত না।
যাই হোক, কাহিনিতে আসি। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় একটা কাজে আপুর বাড়ি গিয়েছি। কিছু সময় পরে আমার ভাগ্নী হাজির। সে খুবই চিন্তিত। এটা অবশ্য সে সব সময়ই থাকে, শুধু যখন আমাকে মারে তখন বাদে। আমাকে মারার কাজটা সে কোন রকম চিন্তা ভাবনা ছাড়াই করে। যাই হোক, সে একটা কাগজে বানান করে কিছু এটা পড়ার এবং বোঝার চেষ্টা করছে। শেষ পর্যন্ত তার পাঠ উদ্ধার না করতে পেরে আমার কাছে নিয়ে এল। মুখে তখন পর্যন্ত চিন্তার ছাপ। কাগজটি হাতে নিয়ে দেখলাম বাংলাদেশের ব্যাংক নোট নিয়ে একটা লেখা। তাতে লেখা আছে টাকার বিভিন্ন অংশের বর্ণনা। এর মধ্যে একটা লেখা কিছুটা এমন ছিল যে, টাকার সাদা অংশ আলোর বিপরিতে ধরলে তাতে বাঘের মুখ দেখা যাবে, যা কিনা আমাদের দেশের জাতীয় পশু। যখন তাকে এটা পড়ে শুনাচ্ছিলাম তখন একটু অন্য মনস্ক ছিলাম, তাই এর পরে কি ঘটতে পারে তা নিয়ে কোন রকম চিন্তা করিনি। সে আমার কাছে একটা নোট চাইল, পকেটে যেই কটি নোট ছিল তার সবই পুরাতন, তাই তার সেই বাঘের ছবি দেখা হল না ঠিক মত। সে এক দৌড়ে তার আম্মুর ব্যাগ থেকে টাকা আনতে ছুটল। ৩-৫ মিনিট পরে এসে হাজির। বলে, "মামা, বাঘ চশমা পরেছে কেন? ও কি চশমা ছাড়া দেখতে পারে না?"
টাকাটা হাতে নিয়ে আমার অবস্থা করুন। কারণ টাকাটা ছিল একে বারে নতুন বের হওয়া ৫টাকার একটি নোট।
বাকিটা বর্ণনা করার মত ক্ষমতা আমার নাই, আপনারই বুঝে নেন।
যদিও ছোট্ট ঘটনা - ১ , ছোট্ট ঘটনা - ২ এবং ছোট্ট ঘটনা - ৩ (প্রভা - এবং আমার বন্ধু এবং আমরা) এর সাথে ছোট্ট ঘটনা - ৪ এর কোনই মিল নাই, তবুও লিংক দিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



