আলফ্রেড ডবলিন
১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বিখ্যাত উপন্যাস 'বার্লিন আলেকজান্ডারপ্লাজ' এর লেখক আলফ্রেড ডবলিনের জন্মদিন আজ। ১৮৭৮ সালের ১০ আগস্ট জার্মানির স্টেটিনে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
তার পরিবার বার্লিনে চলে আসেন ডবলিন যখন ছোট। সেখানেই ইউনিভার্সিটি অব বার্লিনে মেডিসিনের ওপর পড়াশোনা করেন তিনি। ছাত্র জীবনে জার্মান দর্শনের প্রতি আকৃষ্ট হন। ইমানুয়েল কান্ট এবং আর্থার স্কাপনহরের দর্শন তাকে মুগ্ধ করে। এসময় তিনি বেশকিছু উপন্যাস লেখেন। ১৯১৫ সালে তার প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ছিল 'ডাই ড্রি স্প্রাংডেস ওয়াং লাং'। এ উপন্যাসের জন্য তিনি 'ফন্টেন' পুরস্কার লাভ করেন। অষ্টাদশ শতাব্দীতে চীনের রাজনৈতিক উত্তরণের ঘটনা নিয়েই এ উপন্যাসটি। অভিব্যক্তিবাদ বিষয়ক ম্যাগাজিন ডারস্টার্মে তিনি বেশ কিছু ছোট গল্প লেখেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধকালে ডবলিন জার্মান সেনাবাহিনীতে একজন চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেন।
১৯২০ সালে ডবলিন অ্যাসোসিয়েশন অব জার্মান বাইটাসে যোগ দেন এবং ১৯২৪ সালে এর সভাপতি নির্বাচিত হন। জার্মানিতে নাৎসিরা ক্ষমতায় আসার পর তিনি প্যারিসে পালিয়ে যান। ১৯৩৬ সালে তিনি ফরাসি নাগরিকত্ব লাভ করেন। ১৯৫৭ সালের ৬ জুন ডবলিনের মৃত্যু হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪

চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও...
...বাকিটুকু পড়ুন
(শালবন ভ্রমণ)২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে...
...বাকিটুকু পড়ুন