কোনো কারনে আমরা যে বাসায় থাকতাম সেটার ছাদ ছিলো কোমর সমান উঁচু দেয়াল। ময়লা, মোজাইক নেই, যারা আগে ভাড়া ছিল, তারা শুকনা রুটি না ফেলে কেন যেন ছাদে জমা করে রেখেছিল। আম্মার বেশ কিছুদিন লেগেছিল, শুধু ছাদটা পরিস্কার করতে।
আমার ছোট বোন (শেখা) তখন মাত্র হাঁটা শিখেছে। দুনিয়ার সব জায়গায় পদব্রজে যাবার তার একান্ত ইচ্ছা। প্রায়ই দেখা যেত, আমরা সবাই হয়ত যে যার কাজে ব্যস্ত, এমন সময় শোনা যেত শেখা চিৎকার করছে। শব্দ কোথা থেকে হঠাৎ বোঝা যায় না, সবাই এদিক ওদিক দৌড়ে গিয়ে দেখছি, কোথাও পড়ে গেল, না কি হলো। কোথাও পাই না, একসময় বোঝা গেল শব্দটা আসছে ছাদ থেকে। দৌড়ে উঠে দেখি (ঘরের ভিতর দিয়ে সিঁড়ি), শেখা ছাদের মেঝেতে দাড়িয়ে, মানে পায়ের আংগুলে ভর দিয়ে দাড়িয়ে জান দিয়ে চিৎকার করছে। পা ফেলতে পারছেনা। কারন রোদ্্রে ছাদের মেঝে আগুনের মতোন গরম হয়ে আছে (মরু এলাকা), পা ফেলা যাচ্ছে না।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




