এখন ভাগনেরও খুব সখ সেহেরিতে ওঠা। ওর মা সেহেরির সময় ওকে ওর বিছানা থেকে নিয়ে নানা-নানির খাটে শুইয়ে দেয়। তবুও ওর ঘুম ভাংগে না। একদিন কি করে যেন আজানের সময় ঘুম ভেংগে গেল। খুব খুশি। সেহেরির সময় উঠতে পেরেছে। ওর মা পানি খাইয়ে দিল। বলল, তোমার সেহেরি খাওয়া হয়ে গেছে। ওর আনন্দ দেখে কে, দিনে 3/5 রোজা রাখে কিনা!
ইউনিভার্সিটিতে আমাদের এক ক্লাসমেট সালেহ বলছিল, ওকে ঘুম থেকে ডাকার পর ও নাকি চোখ বন্ধ করেই খেয়ে নিত, তারপর আবার ঘুম।
আরেক বন্ধু বলল, ও নাকি সেহেরিতে উঠে কোন কথা বলে না, কথা বললেই ঘুম শেষ, চুপচাপ খেয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়ে।
আমি ইদানিং জ্বর সর্দি কাশিতে কাহিল হয়ে পড়েছি, কখন জাগি, আর কখন ঘুমাই ঠিক নেই, কাশি কম থাকলে ঘুমিয়ে নেই, জ্বর কম থাকলে গোসল করে নেই। দেখা যাক কবে ভালো হই।
এবার প্রথম দিকে মোবাইলে 3.30 এ এ্যালার্ম দিতাম, মোবাইল অফ করে কিভাবে যেন আবার ঘুমিয়ে পরতাম। আব্বা 4টার দিকে ফোন করে, তখন উঠি। এখন পর্যন্ত নিজে উঠতে পারিনি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



