পাকিস্তানী তালেবানরা এখন করাচীর দ্বারপ্রান্তে । গতকালকের করাচী বিমান বন্দর আক্রমণের রেশ কাটতে না কাটতে আজ আবার বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষীদের ট্রেনিং সেন্টার পোস্টে আক্রমন । গতকালকের আক্রমনে নিহত ৩৬ , আহত কয়েক ডজন । পাকিস্তান তালেবান এ দুটি আক্রমণের দ্বায় দায়িত্ব স্বীকার করেছে । দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের বড় শহর গুলো এখন তালেবান আক্রমণের মুল লক্ষবস্তু । টি টি পি যা তেহরিক ই তালেবান পাকিস্তান ফ্যাক্টর , পাকিস্তানে জ্বিহাদরত বলে পরিচিত আরও বড় ধরনের আক্রমণের হুমকি দিয়েছে । কিন্তু এয়ারপোর্টে কেন এ আক্রমন এর কোন ব্যাখ্যা এখনো স্পষ্ট নয় । পাকিস্তান সৃষ্ট তালেবান মুলত আফগানিস্তানে ব্যাবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল । তালেবান যোদ্ধারা আফগানিস্তানে ব্যাপক এলাকা দখলে নিয়ে তাদের শরিয়তি শাসনের আওতায় এনেছে । পাক-আফগান সম্পর্ক একদম ভালো যাচ্ছেনা শুধু এই তালেবান কর্মকাণ্ডের জন্য । হামিদ কারজাই তালেবান নেতাদের সাথে কাতারে একত্রে বসবার জন্য রাজি হলেও এক অজানা কারনে আফগান তালেবানরা পিছিয়ে যায় । কিন্তু এখনকার আক্রমণের ধরন দেখে মনে হচ্ছে কারজাই পলিটিক্স ভালো কাজ দিয়েছে । খোদ স্রস্টাকে ধ্বংস করতে টি টি পি এখন মরিয়া । তালেবান আক্রমন এখন পাকিস্তানেই বেশি ঘটছে । পাকিস্তান একটি টেরোরিসট রাষ্ট্র হিসাবে সারা বিশ্বে পরিচিতি পেয়েছে । বিশেষ করে ওসামাকে মার্কিন সেনা সিল গ্রুপ হত্যার পর এই বিষয়টি বিস্ময়ের সৃষ্টি করে যে পাক সামরিক এলাকার মধ্যে কিভাবে ওসামা বিন লাদেন লুকিয়ে থাকেন । পাকিস্তানে স্থায়ী শান্তির সম্ভাবনা আর নেই । ধনী পাকিস্তানীরা দেশ ত্যাগ করছেন আগে থেকেই । তাদের বাকি জীবন উদ্বাস্তু হয়েই কাটাতে হবে । আমার দুঃখ হচ্ছে ওইসব পাকিস্তানী ছাত্র ও সহকর্মী যারা বাংলাদেশ নিয়ে উপহাস করত এবং ঘৃণা প্রকাশে অকপট ছিল। আমি ওদের নিয়ে উপহাস করবনা শুধু বলব “ইতিহাস থেকে শিক্ষা নাও “।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ১০:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



