somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাকিব সাজার পেছনের কাহিনী বেরুতে শুরু করেছে ।। স্টপ প্রেস

১০ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ৮:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বসেরা ক্রিকেট অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ছয় মাসের জন্যে নিষিদ্ধ করেছে বিসিবি। নিষেধাজ্ঞার কারণে সাকিব আগামী আগস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর এবং অক্টোবরে ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে সিরিজও খেলতে পারবেন না। সাকিব কেনো নিষিদ্ধ হলো, কী হয়েছিল, কী হতে পারতো- এসব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত নিয়ে অনেকে বাস্তব জীবনসহ সামাজিক গণমাধ্যমে মত প্রকাশ করছেন।

সবাই আমরা ক্রিকেটকে ভালবাসি, সাকিবকে ভালবাসি। সেইসাথে পছন্দ করি না কোনো বিধিবর্হিভূত আচরণ, তা সে্ যেই করুক (সাকিব বা ক্রিকেট বোর্ড)। আসুন একটু মিলিয়ে দেখে কিছু বিষয়-

সাকিব কেনো ওয়েস্ট ইন্ডিজ গিয়েছিল

সাকিব একজন পেশাদার ক্রিকেটার এবং ক্রিকেট খেলতে সে ওয়েস্ট ইন্ডিজে ক্রিকেট খেলতে গিয়েছিল। কোনো পণ্যের বিজ্ঞাপন করতে নয়। বিসিবি সাকিবকে ক্রিকেটের সব ধরণের খেলা থেকে ৬ মাস নিষিদ্ধের পাশাপাশি ২০১৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশি কোনো লীগে খেলার জন্যও অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেবে না। এখন থেকে বিজ্ঞাপনের শুটিংসহ যে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে অংশ নিতে হলে সাকিবকে বিসিবির অনুমতি নিতে হবে। বিষয়টি একটু অতিমাত্রায় হয়ে গেছে বলে মনে হতেই পারে, ক্রিকেট দলের নিয়মিত কার্যক্রম এবং খেলার সময় ছাড়া চুক্তির বাইরে একজন খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত কর্ম-জীবন থাকতেই পারে। তবে এটাও ঠিক যে, 'আইকন' খেলোয়াড়দের একটু সর্তক থেকে সবকিছু করতে হয়।

দেশের সংবিধান এবং সরকারি বিভিন্ন বিধান মোতাবেক প্রজাতন্ত্রের মন্ত্রী-এমপি থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের তাদের কর্মের বাইরে ব্যবসা বা অন্য কোনো কাজে তারা যুক্ত হতে পারবেন না। কিন্তু আমরা হয়তো এমন কোনো মন্ত্রী-এমপি-সরকারি কর্মকর্তা খুঁজে পাব না, যারা ওই আইন মানছেন। বিসিবির অনেক পরিচালকের বিরুদ্ধেও ক্ষমতা ব্যবহার করে অনেক ধরণের কর্ম করার খবর বাজারে আছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর প্রায় ১৬০ পাতার একটি তদন্ত প্রতিবেদন নাকি তৈরি হয়ে, যার মধ্যে হসপিটালিটি বক্স নিয়ে কিছু পরিচালকের নানা র্কীতির তথ্য আছে। যদিও সে প্রতিবেদন জনসন্মুখে প্রকাশিত হয়নি।

ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তির বাধ্যবাধকতা

বিসিবি যে চুক্তির মাধ্যমে ক্রিকেটারদের নিয়ন্ত্রণ করে তা অনেকটা দেশের সংবিধান পরিপন্থী। যে কোনো ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে খেলোয়াড় আচরণবিধির কোন ধারা লঙ্ঘনের অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যাক বা না যাক, খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) চুক্তির বাধ্যবাধকতা/জোরে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে যা খুশি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। যা সরাসরি বাংলাদেশের সংবিধান পরিপন্থী।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও ‘ভীতি বা অনুগ্রহ, অনুরাগ বা বিরাগের বশবর্তী’ হয়ে কারো প্রতি আচরণ ও অন্যায় সিদ্ধান্ত করতে সংবিধানে স্পষ্ট বাধা রয়েছে। কিন্তু বিসিবির চুক্তির জোরে ক্রিকেট বোর্ডের ভাতা নেওয়া পরিচালকরা যদি ক্রিকেটের স্বার্থের বদলে কোনো খেলোয়াড়ের প্রতি নিজেদের ব্যক্তি ও শ্রেণীগত ক্রোধ চরিতার্থ করতে চান, তাতেও কোন আইনগত বাধা নেই।

বিসিবির একটি ডিসিপ্লিনারি কমিটি আছে, সাকিবসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওই কমিটির থাকা না থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া বিসিবির একজন বেতনভূক্ত সাইকোলজিষ্ট আছে যিনি খেলোয়াড়দের মনোবল বৃদ্ধিসহ নানা অসঙ্গতি নিয়ে কাজ করার জন্য মাসে মাসে বেতন নেন। ক্রিকেট বোর্ডের সকল কর্মকর্তা থেকে শুরু করে বেতনভূক্ত সবার উচিত ছিল খেলোয়াড়দের সাথে আরও নিবিড় সর্ম্পক গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন বিষয় আগে থেকেই তাদের সাথে আলোচনা-কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে সমাধান-নির্দেশনা দেওয়া। বিষয়টা এমন না যে খেলোয়াড়রা সব চোর এবং চুরি করার পরেই পুলিশের মতো তাদের গ্রেফতার করে শাস্তি দিতে হবে। খেলোয়াড়রা যেনো ভুল পদক্ষেপ না নেয় তা আগে থেকেই তাদের নিয়মতান্ত্রিকভাবে সাবধান করাটা বেশি প্রাসঙ্গিক।

আকরাম খান চুপ কেনো?

সাকিব ওয়েস্ট ইন্ডিজে সিপিএল খেলার অনাপত্তি পত্র (এনওসি) যোগাড় করতে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান আকরাম খানের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। তিনি সাকিবকে বলেছিলেন বিসিবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করতে। নিজামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাকিবকে ফের আকরাম খানের সাথেই যোগাযোগ করতে বলেন। এ দফার যোগাযোগে আকরাম তাকে সিপিএলে খেলতে সমস্যা নেই জানিয়ে মৌখিক অনুমতি দিলেন এবং বললেন দেশে ফিরলে এনওসি সাইন করে দেবেন।

কিন্তু আকরাম খানের আশ্বাসে অনাপত্তি ছাড়াই সিপিএল খেলতে যাওয়াই যে ফাঁদে পা দেয়া তা টেরও পাননি সাকিব। সাকিবের সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনায় আকরাম খান চুপ কেনো? তিনি বিসিবি সভাপতিসহ অন্যান্যদের সাথে কথা/ব্যাখ্যা দিয়েছেন কিনা, তা জানা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে ফর্ম হারানো তামিমকে দলে রাখায় আকরামের বিভিন্ন হস্তক্ষেপ নিয়ে নানা অসর্মথিত তথ্য নিয়ে প্রশ্নের মুখে থাকা আকরাম খানের উচিত ছিল মুখ খোলা।

বিসিবি সভাপতির 'ভাষা'

সাকিবের বিরুদ্ধে যখন শাস্তির ঘোষণা দিচ্ছিলেন বিসিবি সভাপতি ও সরকারদলীয় সাংসদ নাজমুল হাসান পাপন, তখন তার ভাষা এবং সাকিবের প্রতি তার ক্ষোভ সবাই দেখেছে। পাপন সাহেব যতই পদমর্যাদা বা বয়সে বড় হন না কেন, তিনি যখন অফিসিয়ালি কোনো বক্তব্য দেবেন তখন তিনি নিশ্চয় নূন্যতম সন্মান প্রকাশ করবেন এটা আশা করা যেতেই পারে। কিন্তু বিসিবি সভাপতি পাপন তার বক্তব্যে সাকিবকে অসৌজন্যমূলক তুইতোকারির সম্বোধন করেবারবার ‘ও’ ‘ও’ বলছিলেন। তার কণ্ঠ থেকে যেন ক্রোধ ঝরে পড়ছিল।

সাকিবকে নিষিদ্ধ করার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘ওর বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো শুনেছি...কতগুলো…এত অমানবিক মনে হয়েছে যে আমরা অনেকে ইমোশনাল হয়ে পড়েছিলাম। কীভাবে একটা মানুষ এমন করতে পারে!’
এটা অনেকটা দেশের রাজনীতির মতো, প্রধানমন্ত্রীসহ অনেক মন্ত্রী-রাজনীতিবিদ অনেক সময় বলে থাকেন যে আমরা জানি কারা ভিওআইপি ব্যবসা করছে বা সুইস ব্যাংকে টাকা কারা রেখেছে বা কারা বোমা মেরেছে। এসব বলার পরে তারা কোনো পদক্ষেপ নেন না। বিসিবি সভাপতি পাপন সাহেব কি সাকিবের সাথে সেরকম কোনো রাজনৈতিক 'ব্লেইম গেইম' খেলে আসছেন অনেকদিন আগে হতেই? কারণ সাকিব অমানবিক কিছু করলে এবং সেটা জানলে আগে কেনো পদক্ষেপ বা সাবধান করা হয়নি সাকিবকে? এসব প্রশ্ন কিন্তু এখন উঠছে এবং হয়তো পাপন সাহেব এসবের জবাব দিতে বাধ্য না বলে মনে হচ্ছে।

সাকিবের আচরণ

এটা অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই যে, সাকিবের কিছু আচরণ চরম দৃষ্টিকটূ এবং একজন 'আইকন' খেলোয়াড় হিসেবে সেগুলো অন্যায়। চরম অসঙ্গতি এবং দেশজ চরিত্রের নেগেটিভ 'ভাইরাল' বিষয়গুলো দিয়ে কিছুটা হলেও আক্রান্ত সাকিব। দেশে তথাকথিত অভিজাত-ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতা পেলে বেশিরভাগ সময়ই সুপিরিয়র কমপ্লেক্স এ ভোগেন। সাকিব তার আচরণ-কর্মকান্ডের জন্য ইতোপূর্বে শাস্তি এবং সর্তকতামূলক নির্দেশনা পেয়েছে, যা তার পাপ্য বলে অনেকেই একমত।

সাকিবের স্ত্রী এবং পাপনের ইভটিজার বন্ধুপুত্র

বিসিবি সভাপতি পাপন তার বক্তব্যে সাকিবের স্ত্রী শিশিরের সাথে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্খিত ঘটনাও উঠে এসেছে। তিনি সাকিবের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, গত ১৫ জুন ভারত ও বাংলাদেশের তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচের খেলা দেখতে গিয়ে সাকিবের স্ত্রী উম্মে আহমেদ শিশিরকে ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে যা ঘটেছে তার খণ্ডাংশ (সাকিবের শৃঙ্খলা ভঙ্গ)।'
১৫ জুন ভিআইপি গ্র্যান্ডস্ট্যান্ডে বসে খেলা দেখতে আসা চার জন তরুণ সাকিবের স্ত্রীকে ইভটিজিং করে। নিপীড়নের ঘটনা জেনে বউকে হেফাজত করতে ছুটে যান সাকিব। এক অপরাধীকে ঘটনাস্থলেই কিল-ঘুষি দেন তিনি। এ ঘটনায় চার অপরাধীর বিরুদ্ধে মামলাও করেন অলরাউন্ডার সকিব।

বিসিবি সভাপতি পাপন এ ঘটনার ইভটিজিং এর ঘটনা আমলে না নিয়ে সাকিবের আচরণ নিয়ে কথা বলেছেন। সাকিব বিসিবির চুক্তিভূক্ত ক্রিকেটার হলেও সে কিন্তু একজন মানুষ। মানুষ মাত্রই পরিবারের প্রিয়জনের প্রয়োজন-বিপদে মনে রাখবে না তার কারো সাথে চুক্তি আছে কি নাই। এখানে প্রশ্ন উঠতেই পারে বিসিবি প্রধান হয়েও তিনি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের স্ত্রীর নিপীড়িত হওয়াকে পাত্তাই দিলেন না কেন? কিছু ইভটিজারের নিপীড়ন থেকে স্ত্রীকে হেফাজত করতে ড্রেসিং রুম ছেড়ে ভিআইপি গ্যালারিতে যাওয়া নাকি পাপনের চোখে ‘ধৃষ্টতা’!

ওই ঘটনার পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য মোতাবেক জানা যায়, সাকিবের স্ত্রীকে নিপীড়ন করার সাথে জড়িত চার তরুণই কথিত অভিজাত পরিবারের সদস্য। তাদের একজন রাহিদ রহমানকে (২৩) গত ১৮ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীর ১০ নম্বর রোডের নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার হওয়া তরুণ ইভটিজিংয়ের মত ফৌজদারি অপরাধে জড়িত হলেও তিনি অভিজাত পরিবারের সন্তান। তার বাবা দেশের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বজলুর রহমান। এছাড়া অন্য তিন জন ইভটিজারও অভিজাত পরিবারেরই সন্তান। তাদের একজন হলেন চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত সরকারদলীয় এক সাংসদের ছেলে। ঘটনাচক্রে এই অভিজাত টিজারদের একজনের বাবা বিসিবি প্রধান পাপনের বন্ধু। পাপন যেই ক্লাবের হয়ে ক্রীড়া সংগঠক পরিচয়ে বিসিবির সভাপতি হয়েছেন, ইভটিজারের বাবা আবার সেই ক্লাবের একজন পরিচালক। এও জানা যায়, জাতীয় ক্রিকেট দলের হোটেলে গিয়ে ব্যবসায়ী বজলুর রহমান ও তার স্ত্রী মামলা তুলে নিতে সাকিবকে চাপ দিয়েছেন।

জাতীয়-রাষ্ট্রীয়-রাজনৈতিক অনেক অনুষ্ঠানে যখন সাকিবের ব্যক্তিগত ইমেজকে কাজে লাগানো হয়, তখন বোর্ড কোনো প্রশ্ন না তুললেও তার ব্যক্তিগত জীবন আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধের শিকার হওয়ার সময় কী করেছে বিসিবি এবং বিসিবি সভাপতি? তিনি কি বোর্ড ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রভাবশালী বন্ধপুত্র কাম ইভটিজারকে সহায়তা করছেন? সাকিবের ব্যক্তিগত জীবনে ঘটে যাওয়া ওই পরিস্থিতিতে বিসিবিসহ বিসিবি সভাপতি পাপন কি পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

অনেকে ভাবতেই পারেন ইভটিজার ইস্যুটাই সাকিব নিষিদ্ধের আসল রহস্য।


ক্ষতি কার? সাকিবের নাকি ক্রিকেটের?

ক্রিকেট দলগত খেলা হলেও ম্যাচ জিততে কারো না কারো বিশেষ ভূমিকা নিতে হয়। সেই ভূমিকা অনেকবার দেখিয়েই সাকিব আজ বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। বিষয়টা এমন না যে, যে কাউকে হাজির করে তাকে সাকিবের মতো চুক্তি বা সুবিধা দিলেই সে সাকিবের মতো হতে পারবে। সাকিবের ব্যক্তিগত দোষ-ক্রুটি যেমন নজরে আনা জরুরি তেমনি সাকিবের মতো খেলোয়াড় দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেটাও নজরে রাখা দরকার। আশরাফুল থেকে শুরু করে সাকিব মানের খেলোয়াড় তৈরি করতে যে পরিমান ইনভেস্টমেন্ট (সময়-সুবিধা-অর্থ-দক্ষতা সব দিক থেকে) হয়েছে/হচ্ছে তা কিন্তু সবসময় সবার ক্ষেত্রে কাজে নাও লাগতে পারে।

নিজেদের তথা ক্রিকেটের স্বার্থে খেলোয়াড়দের প্রতি আরো যত্নবান হয়ে কাছে থেকে শুনে-বুঝে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই হয়তো বাস্তবসম্মত হবে। না হলে বার বার ভুলের ফাঁদে পা দেবেন সাকিবসহ বিভিন্ন খেলোয়াড় আর চুক্তির শক্তিতে শাস্তি কাম স্বজনপ্রীতি করতেই থাকবে বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।
অনলাইন ও ব্লগ থেকে অনুসৃত
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৯
৬টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার বেঁচে থাকাই তাদের ভয়ের কারণ॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ০৪ ঠা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫১





শেখ হাসিনার বেঁচে থাকা নিয়ে আক্ষেপ কেন? একটি রাজনৈতিক সমীকরণের বিশ্লেষণ

সম্প্রতি তারেক রহমানের উপদেষ্টা জাহেদুর রহমানের একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনা শুরু হয়েছে - "শেখ হাসিনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×