
এই বিশাল দশাসই কাঁঠালের সাইজ দেখেই আমার কাঁঠালের মুচমুচে বিস্কিটের কথা মনে পড়ে গেল । তখন একটি তাইওয়ানিজ কোম্পানিতে ব্যাবস্থাপক হিসাবে কাজ করি । চেয়ারম্যান তাইওয়ানে প্রতি মাসেই যান । এবার গেলেন ৪০ কেজি কাঁঠাল নিয়ে। আমরা বেশ আগ্রহের সাথে জিজ্ঞাসা করলাম বস এটা এখান থেকে নিয়ে যাচ্ছেন কেন ? তিনি হাসলেন তবে জবাব দিলেন না । পরদিন আমি উত্তরবঙ্গে প্রডাক্ট মার্কেটিঙে চলে গেলাম এবং ৬ দিন পর ফিরে দেরিতে অফিস গিয়ে দেখি একটা বড় পলিথিনে ভাঙ্গাচুরা কিছু একটা সবাই মুচমুচ করে খাচ্ছে । মুখে দিয়ে দেখলাম এটাতো কাঁঠাল , ডি হাইড্রেট করা এবং অসাধারন স্বাদ হয়েছে । আমার ভিজিটিং রিপোর্ট জমা দিতে চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসা করলাম এই আজব জিনিষ কিভাবে হল । তিনি বললেন ডি হাইড্রেট আর হিটিং মেশিন দিয়ে এটা করা হয়েছে শুধু বিচিটা ফেলে দেওয়া হয়েছে । আমি বললাম এটা শুরু করেন খুব চলবে ঢাকাতে । মুখে মধু লেগে রইল । ৯৮ এর শেষে ওই কোম্পানি ছেড়েছি কিন্তু ঢাকার বাজারে কাঁঠাল বিস্কিট পাইনি , তার মানে ওরা বের করেনি । একটি অসাধারন ব্যাবসা সফল বিষয় হবে কাঁঠাল পাকার দু তিন মাস একটানা প্রডাক্ট বেরুবে এবং সারা বছর ব্যাবসা চলবে । ছোট বড় সব মেশিন পাওয়া যায় চীন এবং তাইওয়ানে । স্বল্প পুজিতে শুরু করা যায় এই প্রকল্প । কাঁঠাল শেষ হলে এই মেশিন গুলো কলা , পেপে , আমড়া ইত্যাদি শুকনো করে বার মাসি ব্যাবসা চালানো যাবে । টঙ্গি , গাজীপুর জমি থাকলে , ১ বিঘা অথবা পূর্বাচলের দিকে যেতে গ্রামে জায়গা কিনে এটা চালু করা যাবে । কেনার আগে সশরীরে চীন বা তাইওয়ান ঘুরে এর প্রক্রিয়া দেখতে থাকতে হবে ক'দিন ।
যারা নিরিবিলি ব্যাবসা করতে চান তারা চেষ্টা করতে পারেন ।

সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জুন, ২০২১ রাত ৮:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



