
আমি কোরবানির মাংস ছাড়া আর কিছুই দেখিনি । খুড়িয়ে খুড়িয়ে লাঠিতে ভর করে ক'বাড়ি পরে যাওয়ার ধকল নিতে পারব না । কন্যা আর জামাই ওসব ম্যানেজমেন্টে ছিল । গরুর ছবি দেখেই শান্তি । আমি ফেসবুকে আপলোডাই কিনা এই ভয়ে ওরা দুজনই আমায় শেয়ার করেনি । ওদের মোবাইল ছিনতাই করতে পারি এই ভয়ে ছবি ডিলিট করে দিয়েছে । আমাদের সিঁড়ি মোছা কর্মীটি হাদিসের অনেক প্যারা শুনিয়ে গেল । এইযে আপনারা কোরবানি দেছেন এইডাতো আমাগো গরীবের হক । বিরক্ত আমি দরজা দিয়ে ভাবলাম সামনের বছর থেকে গ্রামের বাড়িতে যে কোরবানি হয় তাতে ভাগা নেব , ওখানের প্রতিটি টুকরা গরীবের পেটে যায় । এই বেয়াদ্দব গরীবের জন্য আমার হৃদয়ে কোন দয়ামায়া নাই । বিকেল সন্ধ্যায় আগে বেরিয়ে দেখতে যেতাম রেস্টুরেন্ট মালিক আর বুয়াদের দর কষাকষি আমাদের দেওয়া তাদের হকের মাংস নিয়ে । কষ্ট হতো খুব । আমাদের মুল গৃহ কর্মী লম্বা গল্প দিলো কিভাবে মাংস রান্না করে পোলাপাইন নিয়ে হাপুস হুপুস খেয়েছে । শান্তি পেলাম । আমাদের কিঞ্চিৎ ক'প্যাকেট কিভাবে রাখা হয়েছে দেখতে গিয়ে হতভম্ব আমি - প্যাকেটের উপরে লেখা "ভাবীর মাথা আর কলিজা' । কাদব না হাসব ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০২২ দুপুর ১২:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




