
উড়াল সড়কটি খুলে দেবার পরই অনেকেই বেড়াতে যাচ্ছেন গাড়িতে চড়ে এর স্বাদ নিতে । কিন্তু সবাইকেই বিরক্ত হতে হচ্ছে ফার্মগেটে নেমে এক দেড় ঘণ্টার জ্যামে বসে থাকতে । তারা বলছে ১১ মিনিটে ঝটপট চলে এলাম কিন্তু জ্যাম বলছে তোকে এমনি এমনি ছেড়ে দেব না , আয় কিছুটা কাফফারা দিয়ে যা । জুল ভার্ণ লিখছে "আজ আমি হাতে কলমে উন্নয়নের যন্ত্রণায় দগ্ধ হলাম! ব্যাপক ঢাক-ঢোল পেটানো এলিভেটর এক্সপ্রেসওয়ে ১৪ মিনিটে পাড় হয়ে ফার্মগেট র্যাম্পে ১:১০ মিনিট জ্যামে আটকা ছিলাম! " । আমিও ভাবছিলাম সবাইকে নিয়ে মাইক্রোবাসে চড়ে উড়াল পথ ঘুরে আসব । জ্যামে বসে থাকার ভয়ে পিছিয়ে যাচ্ছি ।
উড়াল সড়কটি হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প। শাহজালাল আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর থেকে শুরু হয়ে কুড়িল, বনানী, মহাখালী, তেজগাঁও, মগবাজার, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ি হয়ে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী এলাকায় গিয়ে শেষ হবে এই প্রকল্প।দৈর্ঘ্য: ৪৬.৭৩ কিমি । গোল বেধেছে ফার্মগেটে । এমনিতেই এলাকাটি যানজটে ভোগে সারা বছর । এখন এয়ারপোর্ট থেকে সাঁই সাঁই করে আসা গাড়িগুলো আলাদা ভাব তৈরি করেছে । আমার মনে হয়েছে কমকরে হলেও কমলাপুর পর্যন্ত শেষ করে এই ঝামেলা এড়ানো যেত ।
স্বাগতম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ।
ছবিঃ ওয়েব থেকে
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সকাল ১১:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


