মানুষের শখ, নেশা যে কত রকমের হতে পারে তার নমুনা মানুষ দিয়ে এসেছে যুগ যুগ ধরে। এজন্য গুনতে হয়েছে কারি কারি টাকা। হয়েছে অনেক কারাকারি-মারামারি। মানুষের বিচিত্র সব শখ নিয়ে সাজানো হল এই পর্ব। চলুন দেখে আসি পৃথিবীর কিছু দামি জিনিস...
১। আন্টিলাঃ
এই অত্যাধুনিক বাড়িটির নাম আন্টিলা। ৪০০০০ হাজার স্কয়ার ফিটের এই টাওয়ারটি ২৭ তলা। পেট্রোকেমিকেল জায়ান্ট মুম্বাই বেজ এর সিইও মুকেশ আম্বানির আবাসস্থল এটি। এটি ৫৭০ ফুট লম্বা। পার্কিংয়ের জন্য ছয় তলা রাখা হয়েছে কারন সেখানে আম্বানির ১৬৮টি গাড়ি থাকে মহা সারম্বরে। নয়টি এলিভেটর ও প্রতিটি তলায় ব্যাক্তিগত জিমনেসিয়াম আছে। বাড়িটিতে ৬০০ চাকর আছে। বলা হয় আপনি যা চিন্তা করতে পারেন এবং যা চিন্তা করতে পারেন না তার সবই আছে এই বারিতে। ১ বিলিয়ন ডলারের এই লাক্সারিয়াস বাড়িটি অনেক দিন ধরে বিশ্বের সবচেয়ে এক্সপেনসিভ বাড়ি হিসেবে পরিচিত পেয়ে আসছে।
২। লেম্বারগিনি ভেনেনোঃ
বর্তমান দুনিয়ার সবচেয়ে দামী গাড়িটি হল এটি। এর বর্তমান বাজার মূল্য ৩৫,১০,০০০০০ টাকা মাত্র । ১০০ কিঃমিঃ গতি পেতে এর সময় লাগে মাত্র ৩ সেকেন্ড! এর সর্বচ্চ গতিসীমা ৩৫৫ কিঃ মিঃ/ ২২১ মাইল। সারা বছরে মাত্র ৩ টি গাড়ি প্রস্তুত করা হয় গ্রাহকদের জন্য। আপনি যদি এই অসাধারন গাড়িটির গর্বিত মালিক হতে চান, তবে আজই আপনার নাম অর্ডার দিয়ে দিন। ১০০ বছরের মধ্যে আপনি গাড়িটি পেয়েও যেতে পারেন!!
৩। আইফোন ৫ ব্লাক ডায়মন্ডঃ
বর্তমান-বিশ্বের সবচেয়ে দামি মোবাইল ফোন আইফোন ৫ ব্লাক ডায়মন্ড। এর বিস্ময়কর ডিজাইন করেছেন ব্রিটিশ ডিজাইনার স্টুয়ার্ড হুগাস । এই ফোনটিতে আছে ২৬ ক্যারেট ব্ল্যাক ডায়মন্ড। ফোনের পিছনের অংশটি সলিড গোল্ড দ্বারা তৈরি এবং এ্যাপল লোগো টি ৫৩টি ডায়মন্ড দ্বারা সাজানো। এটির স্ক্রিন টি সাপ্পফিরে গ্লাস দ্বারা তৈরি। এটির হোম বাটনটি ২৬ ক্যারেট ৬০০ ব্ল্যাক ডায়মন্ড দিয়ে সাজানো। এতে ১৩৫ গ্রাম ২৪ ক্যারেট স্বর্ন আছে।
এই বিলাসবহুল ফোনটির বাংলাদেশী টাকায় মূল্য:
১১৮,৫২,৯১,০০০.০০টাকা।
৪। রুবী স্লিপারঃ
এই রুবী স্লিপার জোড়ার ডিজাইন করেছেন রোনালড উইন্সটন আর এই স্লিপার জোড়া প্রথম পা গলিয়েছেন জুডি গারল্যান্ড। রুবী স্লিপার জোড়াই পৃথিবীর সবচেয়ে দামী জুতার মধ্যে অন্যতম, যার দাম ৩০,০০,০০০ ইউএস ডলার। ১,৩৫০ক্যারেটের ৪,৬০০টি রুবী ব্যবহার করা হয়েছে এই জুতা জোড়ায়। দাম তাহলে ঠিকই আছে, কিবলেন?
রিটা হাইওরথ হিলস হচ্ছেন এই হিল জোড়ার ডিজাইনার। এর মূল্য ও রুবী স্লিপার এর সমান। রিটা হাইওরথ সর্বপথম এই হিল পরে লালগালিচায় হেঁটে যান। এই হিলে ব্যবহার করা হয়েছে sapphires, রুবী আর হীরা।
৫। বিশ্বের সকল ক্যামেরার মধ্যে হ্যাসলব্লাড হলো প্রথম সারির। এযাবৎ আবিষ্কৃত সবচেয়ে ভালো ক্যামেরা বলতেই হ্যাসলব্লাডের নাম এসে যায়। প্রায় শতভাগ নিখুঁত কালার টোনের জন্য এই ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়। তবে দামের কারণে এর ব্যবহার অনেক কম পৃথিবীতে। হ্যাসলব্লাডের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই ক্যামেরাটির দাম ধরা হয়েছে ৩৪ লাখ ৮২ হাজার টাকা।
তথ্য ও ছবি ঃ গুগল মামা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



