ভয় দু'ভাবে আসে। এক; ধর্ম থেকে দূরে থাকার কারণে, দুই; ধর্ম সম্পর্কে খুব কম জ্ঞান ধারণের কারণে। আবু বকর (রাঃ) বাদে ইসলামের চার খলিফার তিনজনই শহীদ হন আততায়ীর হাতে, অথচ তাঁরা সকলে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছিলেন। তাঁদের মৃত্যু যদি এমনই আচমকা হবে, তবে কি করে ভাবি, একদিন আমি-আপনি বয়ঃপ্রাপ্ত হবো, জীবনের সব দায়িত্ব, ভোগ সম্পন্ন করবো, তারপর একদিন বিছানায় গা এলিয়ে দিব, সন্তানেরা মুখে পানি তুলে দিবে, আর আমরা কালেমা পড়তে পড়তে আস্তে আস্তে দু'চোখ বুজবো!!!
রানা প্লাজার ধ্বস, তাজরিন গার্মেন্টসের আগুন, বহাদ্দারহাটে ফ্লাইওভার চাপা, পাবলিক ট্রান্সপোর্টে পেট্রোল বোমা, গুলশান হামলা, রোড এক্সিডেন্ট, লঞ্চডুবি... এইরকম কত মর্মান্তিক মৃত্যুর খবর জানি। আমার-আপনার জীবনেও যে একদিন তার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না, তা কি করে নিশ্চিত হই? এই যে গেল ২৪শে আগস্ট পুরো বাংলাদেশ কাঁপিয়ে দিয়ে গেল ভূমিকম্প, জীবদ্দশায় আবারও যদি তা আসে নেপালের মত করে, আমাদের ঘরের ছাদের ভার আমরা সইবো কেমনে!
যদি খুলাফায়ে রাশেদীনগণ জান্নাতের সার্টিফিকেট হাতে পেয়েও পরীক্ষায় অবতীর্ণ হতে হয়, নগন্য আমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি কি! ভুলে ভরা জীবনে কিছু সৎচিন্তা, যতসামান্য সৎকাজ আর নিতান্ত কিছু অমনোযোগী ইবাদত কি সে কঠিন সময়ের মুখোমুখি হওয়ার জন্য যথেষ্ট?
ভয়, ভীষণ ভয় জেগে উঠছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




