
ছবি-প্রথম আলো।
গনতন্ত্রের নতুন কোন রুপ কোন জাতির কোন কালে কোন সময় যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে তারা আমাদের বর্তমান গনতন্ত্র গ্রহণ করতে পারে। আমাদের উপর চাঁপিয়ে দেওয়া এই সুলভ গনতন্ত্র, কোন দেশের একরোখা নেতা গ্রহণ করলে, তিনি কিছু সুলভ সুবিধা অনাসয়ে পেয়ে যাবেন। এই যেমন--
মন চাইলে বিরোধীদলের নেতা কে হবেন তা ঠিক করে দিতে পারবে।
আবার নিদিষ্ট করে দিতে পারবে কোন বিষয় সরকারে সমালোচন করতে হবে আর কোন বিষয় করা যাবে না।
সবচেয়ে বড় কথা, ইচ্ছা করলে তাদেরকে কান ধরে ওঠ-বসও করানো যাবে।
যে জন্য আজকের লেখা, আমাদের গৃহপালিত বিরোধীদলের এখন নাকি লজ্জা বেড়ে গেছে তারা মুখ দেখাতে পারছেন না, বলতে পারছে না কাউকে তারা বিরোধীদল নাকি সরকারী দলের লোক।
প্রশ্ন হচ্ছে গত ৪ বছর ধরে তাদের এই লজ্জা কি ডিপ ফ্রিজে রাখা ছিল?
দেশেতো বিদ্যুৎ ঘাটতি নাই তাহলে তাদের লজ্জা ফ্রিজ থেকে কেন বের করা দরকার?
এতদিন পরে যদিও লজ্জা হল তাহলে তা রক্ষা করতে কেন আবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনয় আবেদন। নিজেরদের নেতাদের যদি নিজেরা কন্ট্রোল করতে না পারে তাহলে তাদের রাজনীতি করা কতটুকু সমূচিত।
বিরোধীদলীয় নেত্রী, সত্যি যদি লজ্জা আপনাদের থাকে তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দিন, আর রাজনীতি করতে চাইলে ভাঁড়ামো ছেড়ে দিন।
রওশন এরশাদের আকুল আবেদনে প্রধানমন্ত্রী কিভাবে সাড়া দিবেন জানিনা তবে তার এক লাইন বক্তব্য তাঁর গনতন্ত্রের বিশ্বাসকে আর একবার প্রশ্ন উঠালো। তিনি রওশন এরশাদের প্রশংসা করে বলেছেন-
গণতন্ত্র চর্চা কীভাবে সুষ্ঠু করা যেতে পারে, তার নজির সংসদে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



