শহীদের সংখ্যা নিয়ে যারা সন্ধিহান তাদেরকে শহীদের বেদীতে নিষিদ্ধ করা হোক
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
একজন ধর্ষিতার মত আমি আতঙ্কগ্রস্থ ও শংকাযুক্ত । পথ চলতে কোনো অচেনা পুরুশ আগন্তককে দেখলে আমি চমকে উঠি। একজন ধর্ষিতার কাছে সমগ্র পুরুশ জাতি সারাজীবনের জন্য ঘেন্নার বিষয় ও হিংস্রতার ব্যাপার হয়ে যায় । একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বীজ পুতে দেওয়া হয়েছিল ভাষা আন্দোলন থেকে । যারা মানবতার চরম উদাহরন দেখিয়ে দিয়েছে জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে । যেটা দেখার জন্য ৪৫ বছর পূর্বে যাওয়ার দরকার নেই । সেই আগুনে পোড়া দগদগে ঘা এখনো অনেকের শুকোয়নি ।
দু,চার জনকে ফাসিতে ঝুলিয়ে যতটুকু প্রায়শ্চিত্য অর্জন করেছিল বাঙালী তার চাইতে অধিকতর হেয় প্রতিপন্ন করেছে জাতীয়তাবাদী গং ও তাদের দোসররা ।
যারা জীবন্ত মানুষ পুড়িয়ে উল্লাস করে,
যারা ধর্মের আফিম দিয়ে ভন্ডকে চাঁদে উঠায়,
যাদের গাত্রদাহ হয় পাক সার জামিন সাদ বাদ দেখে
প্রয়োজনে আইন করে তাদের নিষিদ্ধ করা না হলে ওরা আমাদের নামতা শেখাতে চাইবে এবং নতুন প্রজন্মকে ভূল ইতিহাসে অবতরন করাবে । সর্বোপরী সব ভাষাশহীদ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে অকাতরে জীবন বিসর্জনকারী শহীদদের অমর্যাদা করা হবে ।

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে...
...বাকিটুকু পড়ুনআইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!
শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ...
...বাকিটুকু পড়ুন
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক...
...বাকিটুকু পড়ুন