বর্তমান বিশ্ব এক সংকটময় সময়ের মধ্য যাচ্ছে ৷ একদিকে ইরান পরমানু চুক্তিতে সফলতার কাছাকাছি পৌছে গেছে; অপরদিকে - সৌদি, আমেরিকা, ইসরাইল ও তাদের মিত্র দেশগুলো ইয়েমেনে হামলা চালাচ্ছে ৷ আরব লীগের
বৈঠকে এ হামলা বৈধতাও পেয়েছে ৷
আশ্চর্যের বিষয় এই যে, হামলার স্বপক্ষে ইসরাইলের সাথে সুর মিলিয়ে ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট আব্বাস প্রস্তাব করেছেন যে একই সাথে হামাসকেও যেন ধ্বংস করে দেয়া হয় ৷ যে হামাসের কারনে ফিলিস্তিন নামক দেশটি এখনো বেঁচে আছে; সেই হামাসকে ধ্বংসের প্রস্তাব রাখলেন খোদ ফিলিস্তিন প্রেসিডেন্ট৷ কী এক আজব ব্যাপার?
আসলে বোঝা দায় কে মুসলিম আর কে মুসলিমের দালাল ৷ তবে এ কথা স্বীকার না করলেই নয় যে, আজ সময় এসেছে মুসলিমদের এক হবার ৷ এ ব্যাপারে যত দেরী হবে তত ক্ষতির পরিমাণ ও বাড়বে ৷ কিন্তু মুসলমানরা এক হতে পারছে না ৷ কিছু দেশ রাজ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য মুসলমান হয়ে মুসলমানদের ধ্বংস করছে ৷ ইহুদী -খ্রীষ্টানরা কৌশলে মুসলমানদের বিভক্ত করে ফায়দা লুটছে ৷
সবচেয়ে কঠিন রুপ নিচ্ছে শিয়া— সুন্নি সংঘাত ৷ একদল আরেক দলকে কাফের বলছে, গালিগালাজ করছে ৷ কিন্তু কেন? আমাদের এক আল্লাহ, এক নবী, একই কোরআন ৷ তাহলে এত গালিগালাজ কেন? আসুন আগে ইসলামের মূল বিধিবিধান মেনে চলি পরে ওসব নিয়ে ভাবা যাবে ৷ আর জোর করে কি কারো চেতনা কারো ওপর চাপিয়ে দেয়া যায়? ভাই, যদি মতভেদ থাকে তাহলে আসুন না একে অপরকে শালীন ভাষায় বলি ৷ নবী (সঃ) কি কখনো ইসলাম প্রচারে জোর জবরদস্তি করেছেন, নাকি গালিগালাজ করেছেন ৷ নিশ্চয়ই না ৷ তাহলে আমরা কেন নবীর(সঃ) আদর্শ অনুসরন করছি না?
আর সবচেয়ে বড় কথা হল - মতভেদ মিটিয়ে ফেলার চেয়ে আগে বেশি জরুরী হল আন্তর্জাতিক কিছু বিষয়ে একমত পোষন করা ৷ তাই আসুন, ঝগড়া বিবাদ না করে সকল মুসলমান এক হয়ে মানবতার সেবায় এগিয়ে আসি ৷
কার্টেসিঃ Feroz Alam

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




